বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এক বাঘাইড় মাছের দাম ৪ লাখ

মৌলভীবাজারের রানীগঞ্জের কুশিয়ারা নদী থেকে রবিবারে ধরা পড়ে বিশাল আকৃতির একটি বাঘাইড় মাছ। যার ওজন ছিল প্রায় ১১০ কেজি। মাছটির দাম হাঁকা হয় ৪ লাখ টাকা। যদিও পরে মাছটি কেটে টুকরো টুকরো করে কেজি হিসেবে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে মৌলভীবাজার সদরের জেলা দায়রা জজ আদালতের সামনে এই বাঘ মাছটির দেখা মেলে।
বিশালাকৃতির বাঘ মাছ নিয়ে বসেন ছয়জন মাছ ব্যবসায়ী। উমেদ মিয়া নামের একজন মাছ ব্যবসায়ী মাছটিকে কেটে কেজি হিসেবে বিক্রি শুরু করেন। তিনি জানান, তারা ছয়জন মিলে রানীগঞ্জের কুশিয়ারা নদী হতে এক শিকারির কাছ থেকে মাছটি কেনেন তারা।
পানিতে ডুব দিয়ে ওই শিকারি মাছটি ধরেন বলে জানান উমেদ মিয়া। পরে তারা শিকারীর থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে আনেন। যদিও এ মাছটির দাম চাওয়া হয়েছিল ৪ লাখ টাকা।
বিশাল এ মাছটিকে কেটে কেজি হিসেবে বিক্রি করছেন উমেদ মিয়া ও তার বাকি শরিকেরা।
তারা প্রতি কেজি বাঘাইড় মাছ বিক্রি করছেন ১২”শ” থেকে দেড় হাজার টাকা করে। তবে এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ৯০ কেজি মাছ। ওই সময় পর্যন্ত আরও প্রায় ১০-১২ কেজির মতো মাছ বিক্রির বাকি ছিল। কিন্তু তাদের ভাষ্যমতে বাকি গুলো ও বিক্রির জন্য খুব বেশি সময় লাগবে বলে জানায়।

এক বাঘাইড় মাছের দাম ৪ লাখ

প্রকাশের সময় : ০৯:০০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
মৌলভীবাজারের রানীগঞ্জের কুশিয়ারা নদী থেকে রবিবারে ধরা পড়ে বিশাল আকৃতির একটি বাঘাইড় মাছ। যার ওজন ছিল প্রায় ১১০ কেজি। মাছটির দাম হাঁকা হয় ৪ লাখ টাকা। যদিও পরে মাছটি কেটে টুকরো টুকরো করে কেজি হিসেবে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে মৌলভীবাজার সদরের জেলা দায়রা জজ আদালতের সামনে এই বাঘ মাছটির দেখা মেলে।
বিশালাকৃতির বাঘ মাছ নিয়ে বসেন ছয়জন মাছ ব্যবসায়ী। উমেদ মিয়া নামের একজন মাছ ব্যবসায়ী মাছটিকে কেটে কেজি হিসেবে বিক্রি শুরু করেন। তিনি জানান, তারা ছয়জন মিলে রানীগঞ্জের কুশিয়ারা নদী হতে এক শিকারির কাছ থেকে মাছটি কেনেন তারা।
পানিতে ডুব দিয়ে ওই শিকারি মাছটি ধরেন বলে জানান উমেদ মিয়া। পরে তারা শিকারীর থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে আনেন। যদিও এ মাছটির দাম চাওয়া হয়েছিল ৪ লাখ টাকা।
বিশাল এ মাছটিকে কেটে কেজি হিসেবে বিক্রি করছেন উমেদ মিয়া ও তার বাকি শরিকেরা।
তারা প্রতি কেজি বাঘাইড় মাছ বিক্রি করছেন ১২”শ” থেকে দেড় হাজার টাকা করে। তবে এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ৯০ কেজি মাছ। ওই সময় পর্যন্ত আরও প্রায় ১০-১২ কেজির মতো মাছ বিক্রির বাকি ছিল। কিন্তু তাদের ভাষ্যমতে বাকি গুলো ও বিক্রির জন্য খুব বেশি সময় লাগবে বলে জানায়।