বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নদীতে গোসলে নেমে শিক্ষার্থী নিখোঁজ 

ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে নেমে এক কলেজ শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে গোবিন্দনগর ইক্ষুখামার ইজতেমা সংলগ্ন ঘাট থেকে নিখোঁজ হন তিনি।
নিখোঁজ হওয়া কলেজ শিক্ষার্থী রায়হান ইসলাম (১৬) স্থানীয় মুজিবনগর গ্রামের শহিদের ছেলে। তিনি স্কলার্স কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র।
নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর বড় বোন রুমি আক্তার জানান, গতকাল মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছিলাম। ভাই পড়াশোনার পাশাপাশি আড়তে কাজ করেন। আমি ভেবেছি সে মহাজনের কাজে আছে। আমার ভাই যে নদীতে গোসলে নেমেছিলো এ কথা কেউ জানায়নি। আজ (৯ জুলাই) সকালে জানতে পারি আমার ভাই গতকাল দুপুরে তার পাঁচজন বন্ধুর সঙ্গে নদীতে নেমে ডুবে গেছে। খবর পেয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে কল করি। এখনো ভাইকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী এক কিশোর সিফাত বলেন, গতকাল নদীতে ওরা (নিখোঁজ শিক্ষার্থী) ৫-৬ জন নেমেছিলো। যখন সে হাবুডুবু খাচ্ছিলো তখন স্বাভাবিক ভাবে মনে করেছিলাম গোসল করছে। পরে সে আর উঠেনি। আমি এখানে মেহমান বেড়াতে এসেছি ওদের বাড়িও চিনিনা। তবে আমি তার সঙ্গে গোসলে নামা ছেলেদের বলেছিলাম যেন তার বাড়িতে জানায়।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদেরকে অনেক দেরিতে জানানো হয়েছে। আমরা ধারণা করছি মরদেহ ভেসে অনেক দূরে চলে গেছে নয়তো পানির নিচে বালুতে চাপা পড়ে আছে। ডুবরি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ডুবরি ছাড়া উদ্ধার কাজ পরিচালনা সম্ভব নয়।

নদীতে গোসলে নেমে শিক্ষার্থী নিখোঁজ 

প্রকাশের সময় : ০৯:২৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে নেমে এক কলেজ শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে গোবিন্দনগর ইক্ষুখামার ইজতেমা সংলগ্ন ঘাট থেকে নিখোঁজ হন তিনি।
নিখোঁজ হওয়া কলেজ শিক্ষার্থী রায়হান ইসলাম (১৬) স্থানীয় মুজিবনগর গ্রামের শহিদের ছেলে। তিনি স্কলার্স কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র।
নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর বড় বোন রুমি আক্তার জানান, গতকাল মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছিলাম। ভাই পড়াশোনার পাশাপাশি আড়তে কাজ করেন। আমি ভেবেছি সে মহাজনের কাজে আছে। আমার ভাই যে নদীতে গোসলে নেমেছিলো এ কথা কেউ জানায়নি। আজ (৯ জুলাই) সকালে জানতে পারি আমার ভাই গতকাল দুপুরে তার পাঁচজন বন্ধুর সঙ্গে নদীতে নেমে ডুবে গেছে। খবর পেয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে কল করি। এখনো ভাইকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী এক কিশোর সিফাত বলেন, গতকাল নদীতে ওরা (নিখোঁজ শিক্ষার্থী) ৫-৬ জন নেমেছিলো। যখন সে হাবুডুবু খাচ্ছিলো তখন স্বাভাবিক ভাবে মনে করেছিলাম গোসল করছে। পরে সে আর উঠেনি। আমি এখানে মেহমান বেড়াতে এসেছি ওদের বাড়িও চিনিনা। তবে আমি তার সঙ্গে গোসলে নামা ছেলেদের বলেছিলাম যেন তার বাড়িতে জানায়।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদেরকে অনেক দেরিতে জানানো হয়েছে। আমরা ধারণা করছি মরদেহ ভেসে অনেক দূরে চলে গেছে নয়তো পানির নিচে বালুতে চাপা পড়ে আছে। ডুবরি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ডুবরি ছাড়া উদ্ধার কাজ পরিচালনা সম্ভব নয়।