বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে স্পেন

ছবি-সংগৃহীত

চলতি ইউরোতে এক অপ্রতিরোধ্য দল স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে জয় পেতে কষ্ট হলেও অন্যান্য ম্যাচগুলোতে দাপটের সঙ্গেই বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে ২০০৮ ও ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথম সেমিফাইনালে মিউনিখে কিলিয়ান এমবাপেদের ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোর ফাইনালে চলে গেছে গত আসরের সেমিফাইলিস্টরা।

সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানানটা ভালোভাবেই দিয়েছিল স্পেন। সেরা চারেও এবার বিশেষ কিছু করে দেখাল তারা। শুরুতে পিছিয়ে গিয়েও এমবাপ্পের ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে দলটি।

ফ্রান্সের সমর্থকরা দখল করেছিলেন গ্যালারির একাংশ। সেখানেই নীল সাগরের গর্জনের মতো করে একের পর এক আছড়ে পড়ল ফ্রান্সের আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু সাগরপাড়ের স্পেন যে ঝড় সামাল দিতে জানে! সঙ্গে ভাগ্যের সহায়তাও তারা পেয়েছে। ৭৫ মিনিটে ডিবক্সের মাথায় লুকাস হার্নান্দেজ কিংবা ৮৫ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের শট ওভাবে মিস হবে সেটা কেইইবা ভেবেছিল।

শেষ পর্যন্ত ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ হলো ম্যাচের প্রথমার্ধের সেই তিন গোলেই। ২৪ মিনিটের মাথায় এদিন তিন গোল দেখেছিল ফুটবল দুনিয়া। ৮ মিনিটে লিড নেয়ার পর ফ্রান্স সেই লিড হারায় ৪ মিনিটে দুই গোল হজম করে। ২-১ গোলের জয়ে বার্লিনের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল স্পেন।

মিউনিখের ক্লাসিক্যাল সেমিফাইনালে প্রথম ২৫ মিনিটেই স্কোরবোর্ডে উঠল তিন গোল। ফ্রান্সের লিড ফেরাতে স্পেন সময় নিয়েছে মোটে ১৬ মিনিট। চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে স্পেন এদিন জানান দিল, কেন টুর্নামেন্টে তারা এসেছে ফেবারিটের তকমা নিয়ে। ২-১ গোলের লিডে ম্যাচে আধিপত্য রেখেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে স্পেন

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

চলতি ইউরোতে এক অপ্রতিরোধ্য দল স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে জয় পেতে কষ্ট হলেও অন্যান্য ম্যাচগুলোতে দাপটের সঙ্গেই বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে ২০০৮ ও ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথম সেমিফাইনালে মিউনিখে কিলিয়ান এমবাপেদের ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোর ফাইনালে চলে গেছে গত আসরের সেমিফাইলিস্টরা।

সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্বাগতিক জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানানটা ভালোভাবেই দিয়েছিল স্পেন। সেরা চারেও এবার বিশেষ কিছু করে দেখাল তারা। শুরুতে পিছিয়ে গিয়েও এমবাপ্পের ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে দলটি।

ফ্রান্সের সমর্থকরা দখল করেছিলেন গ্যালারির একাংশ। সেখানেই নীল সাগরের গর্জনের মতো করে একের পর এক আছড়ে পড়ল ফ্রান্সের আক্রমণের ঢেউ। কিন্তু সাগরপাড়ের স্পেন যে ঝড় সামাল দিতে জানে! সঙ্গে ভাগ্যের সহায়তাও তারা পেয়েছে। ৭৫ মিনিটে ডিবক্সের মাথায় লুকাস হার্নান্দেজ কিংবা ৮৫ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের শট ওভাবে মিস হবে সেটা কেইইবা ভেবেছিল।

শেষ পর্যন্ত ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ হলো ম্যাচের প্রথমার্ধের সেই তিন গোলেই। ২৪ মিনিটের মাথায় এদিন তিন গোল দেখেছিল ফুটবল দুনিয়া। ৮ মিনিটে লিড নেয়ার পর ফ্রান্স সেই লিড হারায় ৪ মিনিটে দুই গোল হজম করে। ২-১ গোলের জয়ে বার্লিনের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল স্পেন।

মিউনিখের ক্লাসিক্যাল সেমিফাইনালে প্রথম ২৫ মিনিটেই স্কোরবোর্ডে উঠল তিন গোল। ফ্রান্সের লিড ফেরাতে স্পেন সময় নিয়েছে মোটে ১৬ মিনিট। চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে স্পেন এদিন জানান দিল, কেন টুর্নামেন্টে তারা এসেছে ফেবারিটের তকমা নিয়ে। ২-১ গোলের লিডে ম্যাচে আধিপত্য রেখেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।