বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুবকের পকেটে মিলল শতাধিক জীবন্ত সাপ

ছবি: সংগৃহীত

নিজের ট্রাউজারে একশটিরও বেশি জীবন্ত সাপ ভরে সেগুলো পাচারের চেষ্টা চালিয়েছেন এক যুবক। তিনি সাপগুলো চীনে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন।

চীনের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার জানিয়েছে, ওই যুবক আধা-স্বায়ত্বশাসিত হংকং থেকে শেনজেন সীমান্ত দিয়ে চীনের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন।

বিবৃতিতে দেশটির কাস্টমস বলেছে, “তল্লাশির পর যুবকের ট্রাউজারের পকেটে দুটি ব্যাগ পাওয়া যায়। এগুলো স্কচটেপ দিয়ে আটকানো ছিল। যখন ব্যাগগুলো খোলা হয় তখন এটির ভেতর বিভিন্ন জাতের, আকৃতির ও বর্ণের জীবন্ত সাপ পাওয়া যায়।”

বিবৃতিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১০৪টি সাপ উদ্ধার করেছেন কর্মকর্তারা। যার মধ্যে দুধের সাপ এবং ভুট্টার সাপও ছিল। যেগুলো চীনে পাওয়া যায় না।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে স্বচ্ছ ব্যাগে করে নানান রঙের-বর্ণের সাপগুলো নিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

বিশ্বে সাপ পশুপাখি পাচারের অন্যতম বড় হাব হলো চীন। তবে সম্প্রতি এই অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করেছে দেশটি।

চীনের বায়োসিকিউরিটি এবং ডিজিস কন্ট্রোলের যে আইন রয়েছে সেটি অনুযায়ী কেউ দেশজ নয় এমন কোনো পশুপাখি আনতে পারবেন না। কেউ এই আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।সাপ পাচারের চেষ্টাকারী ওই ব্যক্তিকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে সেটি জানায়নি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সূত্র- এএফপি

যুবকের পকেটে মিলল শতাধিক জীবন্ত সাপ

প্রকাশের সময় : ০৫:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

নিজের ট্রাউজারে একশটিরও বেশি জীবন্ত সাপ ভরে সেগুলো পাচারের চেষ্টা চালিয়েছেন এক যুবক। তিনি সাপগুলো চীনে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই কাস্টমস কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন।

চীনের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার জানিয়েছে, ওই যুবক আধা-স্বায়ত্বশাসিত হংকং থেকে শেনজেন সীমান্ত দিয়ে চীনের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন।

বিবৃতিতে দেশটির কাস্টমস বলেছে, “তল্লাশির পর যুবকের ট্রাউজারের পকেটে দুটি ব্যাগ পাওয়া যায়। এগুলো স্কচটেপ দিয়ে আটকানো ছিল। যখন ব্যাগগুলো খোলা হয় তখন এটির ভেতর বিভিন্ন জাতের, আকৃতির ও বর্ণের জীবন্ত সাপ পাওয়া যায়।”

বিবৃতিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১০৪টি সাপ উদ্ধার করেছেন কর্মকর্তারা। যার মধ্যে দুধের সাপ এবং ভুট্টার সাপও ছিল। যেগুলো চীনে পাওয়া যায় না।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে স্বচ্ছ ব্যাগে করে নানান রঙের-বর্ণের সাপগুলো নিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

বিশ্বে সাপ পশুপাখি পাচারের অন্যতম বড় হাব হলো চীন। তবে সম্প্রতি এই অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করেছে দেশটি।

চীনের বায়োসিকিউরিটি এবং ডিজিস কন্ট্রোলের যে আইন রয়েছে সেটি অনুযায়ী কেউ দেশজ নয় এমন কোনো পশুপাখি আনতে পারবেন না। কেউ এই আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।সাপ পাচারের চেষ্টাকারী ওই ব্যক্তিকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে সেটি জানায়নি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সূত্র- এএফপি