প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৯, ২০২৬, ২:০৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪, ৫:৪৮ পি.এম
প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পী ও আয়োজকরা

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মন্দিরগুলোতে শুরু হয়েছে নানা প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ এখন রঙ তুলির শেষ আঁচড়ে প্রতিমা ফুটিয়ে তুলতে বাকি। একারণে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পী ও আয়োজকেরা। এদিকে পূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
ধর্মীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী পক্ষের সূচনা হবে। এরপর ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১০ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১১ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ১২ অক্টোবর মহানবমী ও ১২ অক্টোবর মহাদশমীর বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
জানা গেছে, হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবের প্রধান উপজীব্য প্রতিমা। আর এই উৎসবকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলায় চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। দেবী দূর্গা, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মীকে আকৃতি দিতে ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। রাত দিন চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। শিল্পী আর সহযোগিরা মিলে বানাচ্ছেন দূর্গার প্রতিমা। মাটি আর খড় পানি দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে এসব প্রতিমা। এখন এতে দেওয়া হবে রং।
এ বছর উপজেলার ৩৮টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমা শিল্পীরা নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে দেবী দুর্গার সঙ্গে লক্ষ্মী, গনেশ, কার্তিক ও স্বরস্বতির পাশাপাশি ধর্মীয় দৃশ্যপট ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বছর এক-একজন প্রতিমা শিল্পীরা ২ থেকে ৪টি করে প্রতিমা তৈরি করেছেন। আর মজুরি নিচ্ছে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পযর্ন্ত।
সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি মন্দিরে ঘুরে দেখা গেছে, মন্দিরে কারিগররা প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়েকদিন পর এগুলোতে রংতুলি লাগিয়ে প্রস্তুত করা হবে পূঁজার জন্য। একারণে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেউ কাদা তৈরি করছেন, কেউ আবার কাদা দিয়ে হাত-পা বানাচ্ছেন। বেশিরভাগ এলাকাতেই প্রতিমাতে কাদামাটি লাগানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন শুরু হবে প্রতিমাতে রংতুলির ছোঁয়া ও সাজসজ্জার কাজ।
প্রতিমা শিল্পী সমন্ত মহন্ত জানান, এ বছর আমি দুইটা মন্দিরের দায়িত্ব নিয়েছি ইতিমধ্যেই মাটি লাগানোর কাজ শেষ। এখন শুধু রংতুলির কাজ বাকি আছে। গতবছর ৩ টা মণ্ডপে কাজ করেছি। তবে গত বারের তুলনায় এ বছরে মজুরি কিছুটা বেশি। কিন্তু বর্তমান বাজার অনুযায়ী খুব একটা পোষায় না।
ক্ষেতলাল উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন কুমার রায় বলেন, উপজেলায় ৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৩৮টি মণ্ডপ ও মন্দিরে দুর্গোৎসবের যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ চলছে। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলার ৩৮টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho