প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২, ২০২৬, ৬:১৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ২১, ২০২৪, ৯:৩১ এ.এম
স্বাধীনতাযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা শুরু হয়-মাহমুদুর রহমান

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ‘স্বাধীনতাসংগ্রামের যে স্টেজ, সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে স্যারেন্ডার করেছিলেন।’
রবিবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদী বয়ান নির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা : একটি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা শুরু হয়। সবাইকে বাদ দিয়ে এক ব্যক্তির বন্দনা শুরু হয়। যে ব্যক্তির স্বাধীনতাসংগ্রামের যে স্টেজ সেখানে ভূমিকা ছিল; কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা ছিল না, সেই ব্যক্তির নাম শেখ মুজিবুর রহমান।’
তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা ছিল না।
কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে স্যারেন্ডার করেন। পরবর্তী সময়ে তার পরিবারকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী খাইয়েছে, পরিয়েছে; তাদের দেখভাল করেছে। কাজেই মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল- এটা ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে আমি মানতে রাজি না।’তিনি আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের যে চরিত্রগুলো তাদের আস্তে আস্তে মেরে ফেলা হলো।
যেমন মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র যদি আমি বলি, জিয়াউর রহমান, তিনিই প্রথমে যুদ্ধটা শুরু করেছিলেন। যেটাকে মুক্তিযুদ্ধ বলি। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র জেনারেল ওসমানী। তিনি প্রধান সেনাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মওলানা ভাসানী।
মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র তাজউদ্দীন আহমদ। কারণ তিনি প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সৈয়দ নজরুল, তিনি অস্থায়ী সরকারের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাদের নাম কিন্তু মুছে গেল। মুছে গিয়ে ১৯৭২ সালে একটা নামের বন্দনা শুরু হয়ে গেল- শেখ মুজিবুর রহমান।’
গত পনেরো বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পুরো আমলে বেশির ভাগ গণমাধ্যম ও সংবাদপত্র ফ্যাসিবাদী সরকারের লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিছু মূলধারার মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের দেশে ভারতীয় আধিপত্যের সমর্থনে মিডিয়াও ভূমিকা পালন করেছে। মিডিয়া ফ্যাসিবাদী সরকারের অনেক অপরাধের বৈধতা দিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho