
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ছিনতাইকারীরা আশরাফ (৬০) নামে এক বৃদ্ধের টাকা নিয়ে পালিয়ে গেলে তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুরের শহীদ তুলসীরাম সড়কে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। নিহত আশরাফের বাড়ি সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অসুরখাই গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে।
তার ছেলে মাদরাসা শিক্ষক নাজমুল হোসেন জানান, বাবা ও মা ব্যাংকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণের ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংক থেকে বের হচ্ছিলেন। গেটের ওখানেই ছিনতাইকারীর চক্রটি বৃদ্ধদের শাড়ি লুঙ্গি দিচ্ছে এ কথা বলে একটু পাশে সরিয়ে নিয়ে যায় মা-বাবাকে। পরে ভাড়ার কথা বলে খুচরা টাকা আছে জিজ্ঞেস করে কৌশলে আমার বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে ওই টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এতে আমার বৃদ্ধ বাবা সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন উনাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আরএমও চিকিৎসক নাজমুল হুদা জানান, হাসপাতালে আসার পথেই উনি মারা গেছেন। মূলত শোকে হার্ট এ্যটাক হয়েছে।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফইম উদ্দিন বলেন, সোমবারে ছিনতাই শোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বিষয়টি আমরা জেনেছি। ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সিসি ফুটেজ দেখে আমরা চোরদের ধরার চেষ্টা করছি এবং ব্যাংক পাড়ায় নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত দেড় মাসে সৈয়দপুরে ১৮ থেকে ২২টি চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে এবং সবচেয়ে বেশি ঘটেছে ওই তুলসীরাম সড়কে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল, নগদ টাকা, রিকশা ভ্যান, টিউবওয়েল, সোলার মেশিন, গরু, গহনা, ভ্যানিটি ব্যাগসহ আরও অনেক কিছু চুরি মাত্রাতিরিক্তহারে বেড়েছে সৈয়দপুরে। শহরজুড়ে মাত্রাতিরিক্ত চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে শহরবাসী। আতঙ্ক যেন কমছেই না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho