প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৬, ২০২৬, ১০:০১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১, ২০২৪, ১০:০৩ এ.এম
ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন আদানি

আদানি ইস্যুতে গেল কদিন ধরে উত্তপ্ত ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আদানির পক্ষ নেয়ার অভিযোগ আনে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা। যদিও এ বিষয়ে এতদিন কোনো মন্তব্য করেননি মূল ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা গৌতম আদানি।
এবার নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে মন্তব্য করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় শনিবার (৩০ নভেম্বর) ভারতের রাজস্থানে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। মার্কিন আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানার পর প্রথম জনসম্মুক্ষে আসেন এই ধনকুবের।
আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি বলেন, তার প্রতিষ্ঠান বিশ্বমানের নিয়ন্ত্রক নীতিমালা অনুসরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর আগেও অনেকবার এমন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন তারা। প্রতিটি আক্রমণ আদানি গ্রুপকে আরও শক্তিশালী করে তোলে এবং প্রতিটি বাধা তাদের আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বার্থান্বেষী অনেক প্রতিবেদন সত্ত্বেও, আদানি গ্রুপের কেউই ফরেন করাপ্ট প্র্যাক্টিসেস অ্যাক্ট এর কোনো লঙ্ঘন বা ন্যায়বিচার বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্রের জন্য অভিযুক্ত হয়নি। আজকে পৃথীবীতে নেতিবাচকতা সত্যের চেয়ে দ্রুত ছড়ায়। আমরা যখন আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, আমি আবারও নিশ্চিত করতে চাই যে আমরা বিশ্বমানের নর নিয়ন্ত্রক নীতিমালা মেলে চলার প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এদিকে, আদানিসহ বাকি তিনজনের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে ভারতকে কোনো তথ্যই দেয়নি মার্কিন আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ কথা জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের সমন কিংবা গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত নোটিশ পাঠানোর কোনও অনুরোধও করা হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho