
২০ নভেম্বর মাঝরাতে আচমকাই সোশাল মিডিয়ায় বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন এ আর রহমান। দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্যে ইতি টেনে স্ত্রী সায়রা বানুর থেকে আলাদা হওয়ার কথা জানান অস্কারজয়ী সঙ্গীতশিল্পী। তার পর থেকে নানা রটনা রটেছে। এবার গুঞ্জন, বিচ্ছেদ ঘোষণার পরই কাজ থেকে বিরতি নিচ্ছেন সুরকার। ব্যাপার কী? মুখ খুললেন খোদ শিল্পীকন্যা খাদিজা।
সোশাল মিডিয়ায় রহমানের পোস্ট শেয়ার করে জানানো হয়, এ আর রহমান সঙ্গীত জগতের কাজ থেকে এক বছরের বিরতি নিচ্ছেন। তার সুরের জাদু মিস করবেন বলেও জানান নেটিজেন। এতেই ক্ষিপ্ত হন খাতিজা। পোস্টটি শেয়ার করে রহমানকন্যা লেখেন, ‘দয়া করে এই ধরনের আজেবাজে গুজব ছড়াবেন না।
এদিকে ২০ নভেম্বরের শুরুতে রহমান যখন ডিভোর্স ঘোষণা করেন, ঠিক তার পরই তার সহ-শিল্পী মোহিনী দে বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন। দুই ঘটনার যোগসূত্র খুঁড়ে নানা রটনা রটে নেটপাড়ায়।
সেই সময় রহমানের বড়কন্যা রহিমা নিন্দুকদের একহাত নিয়েছিলেন। তিনি লেখেন, ‘সবসময়ে মনে রাখবেন গুঞ্জন তারাই ছড়ায় যারা হিংসে করে বা আপনাকে ঘৃণা করে। মূর্খরা সেগুলো রটায়। আর বোকারা সেই ভুয়ো খবর, রটনাগুলোকে গিলতে থাকে। সত্যিই বলছি, নিজের চরকায় তেল দিন।’ সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে মোহিনীও তীব্র ধিক্কার জানান। বলেন, রহমান তার বাবার মতো। রহমান নিজেও আইনি নোটিশ সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। কয়েক পাতার সেই নোটিশের মাধ্যমেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, রহমান ও সায়রা বানুর ডিভোর্স নিয়ে যে বা যারা আপত্তিকর পোস্ট, ভিডিও বা ইন্টারভিউ পোস্ট করেছেন তারা অবিলম্বে বা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেন সেই সমস্ত পোস্ট সোশাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে ফেলেন, তা নাহলে ভারতীয় ন্যায়সংহিতার আইন অনুযায়ী মানহানির মামলার মুখে পড়তে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho