প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৯, ২০২৬, ৩:১৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৫, ৭:১০ পি.এম
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার ইয়াবা সেবনের দুইটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওগুলো কয়েক দিন আগে ফাঁস হলেও শনিবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই শুরু হয় নেতিবাচক মন্তব্যের ঝড়।
তানজিল টুটুল নামে ওই নেতা বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়র স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও মধ্য পলাশতলা গ্রামের ফজলুল হকের সন্তান।
১৮ সেকেন্ড ও ৪ সেকেন্ডের দুইটি ভিডিওতে দেখা যায়- একটি ঘরে বিছানার উপর লুঙ্গি ও সেন্ডো গেঞ্জি পড়ে ইয়াবা সেবন করছে টুটুল। আর ভিডিও’র পেছনে একটি সূরার শব্দ ও শোনা যায়।
ভিডিও গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো বকশীগঞ্জ জুড়ে চলছে সমালোচনার ঝড়। সকলে করছেন নেতিবাচক মন্তব্য। এছাড়াও তার বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে অনেকে।
ইয়াবা সেবন ও ভিডিও’র বিষয়ে তানজিল টুটুল মোবাইল ফোনে বলেন- ‘আমি বিগত সরকারের সময় অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমি বিএনপির দুঃসময়ে সামনের কাতারে ছিলাম। মামলার আসামী ছিলাম, জেল খেটেছি। এটা সত্যিকারের অর্থে আমি না। আমি দুইটা ভিডিও দেখেছি। ভিডিও গুলো এক সাইড থেকে নেয়া। আমার বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে। আমি কোনো নেশার সাথে জড়িত ছিলাম না। আমি নেশামুক্ত দেশ, জাতি ও বকশীগঞ্জ চাই।’
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহŸায়ক আশিকুর রহমান তুলন বলেন-‘ ভিডিও গুলো দেখার সাথে সাথে আমরা টুটুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জানায় যে ভিডিওগুলো ১০ বছর আগের। কয়েক দিন পরে আমাদের বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল। এটা নিয়ে আমরা ব্যস্ত আছি। কাউন্সিল শেষ হলেই আমরা প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho