
ওপার বাংলার দুই জনপ্রিয় মুখ যশ-নুসরাত। গুঞ্জন উঠেছে সম্পর্কে নাকি দূরত্ব বেড়েছে তাদের। কদিন আগেই ইনস্টাগ্রামে একে অন্যকে আনফলো করে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উসকে দেন যশ দাসগুপ্ত এবং নুসরাত। যদিও বিষয়টি কারগরি ত্রুটি বলে সামলে নেন যশ। তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। কেননা এরইমধ্যে নুসরাতের একটি পোস্ট ফের ঘি ঢেলে দিল গুঞ্জনের আগুনে।
নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন নুসরাত। সেখানে এক ধর্মগুরুকে বলতে শোনা যায়, মানুষও পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে। চায়ের কাপে মাছি পড়লে চা ফেলে দেয়। তবে ঘিয়ে মাছি পড়লে তখন কিন্তু সিদ্ধান্ত বদলে যায়। তখন আর ঘি ফেলে দেয় না মানুষ, তার পরিবর্তে মাছিটাকেই উঠিয়ে ফেলে দেয়।
নায়িকার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এরকম পোস্ট দেখেই কপালে ভাঁজ নেটাগরিকদের। হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলানোর কথা কেন আসছে? তবে কি বিচ্ছেদের পথেই হাঁটছেন যশ-নুসরাত? প্রশ্নগুলো উঁকি দিচ্ছে সবার মাথায়।
বিজ্ঞাপন
মন্তব্যের ঘরে অনেকে লিখেছেন, তাহলে কি যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ আসন্ন? তবে কোনো জবাব দেননি অভিনেত্রী।
এর আগেও সন্দেহ জাগানিয়া পোস্ট দিতে দেখা গেছে নুসরাতকে। তিনি লিখেছিলেন, সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, সকল ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করো।
আরও যোগ করেন, যা কিছু তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেখানে সমপর্ণ করো। এটা জীবনে শান্তি আর স্বাধীনতা এনে দেয়।
পোস্টগুলো দেখে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকে। তবে নুসরাত বা যশ কেউ এ নিয়ে মুখ খোলেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho