
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার হাঁপানিয়ায় রামচন্দ্রপুর গ্রামে বৃদ্ধা মাকে মারধরের ঘটনায় ছেলে ও পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এর আগে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে হাঁপানিয়া রামচন্দ্রপুর নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বৃদ্ধার মেয়ে আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে রাতেই সাঁথিয়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন- ছেলে নজরুল ইসলাম (৪০), পুত্রবধূ সোনালী খাতুন (৩৫), নজরুলের দুই শ্যালক মো. টিপু মিয়া (২৫) ও মো. মিনার হোসেন (৩০), শ্যালিকা মুর্শিদা খাতুন (২৮)।
ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রথমে বৃদ্ধা কাঞ্চন খাতুনকে (৭৫) পুত্রবধূ সোনালী মাটিতে ফেলে মারধর করে। দ্বিতীয় দফায় ছেলে নজরুল ইসলাম তার মাকে অনেকক্ষণ গলা টিপে ধরে। একপর্যায়ে ছেলে মাকে তুলে মাটিতে আছাড় মেরে লাথি মেরে হত্যার চেষ্টা করে। বৃদ্ধা মা চিৎকার করে কান্না করলেও ভিডিওতে কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। রোমহর্ষক এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সাঁথিয়া থানা পুলিশের ওসি আনিসুর রহমান বলেন, বৃদ্ধ মাকে মারধরের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমন সব অভিযোগে ছেলে ও পুত্রবধূসহ পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে আসছি। গত রাতে মেয়ে আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হবে।
সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিজু তামান্না বলেন, মাকে মারধরে ঘটনা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে থানা পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্থানীয়রা সমস্যার সৃষ্টি করে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেনাবাহিনীর সহায়তায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho