
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা
ঘটেছে। এতে সংগঠনটির রমনা জোনের সভাপতিসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে
পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। আহতরা হলেন হেযবুত তওহীদের রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ
শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হাসান, সদস্য ফজলে রাব্বী, নিজাম উদ্দিন, আল-আমিন,
সেন্টু ইসলাম ও শাহাজান আলী।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাজারীবাগের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় তিনজনের মাথা ফেটে গেছে এবং একজনের কানের পর্দা ফেটে গেছে বলে জানা গেছে। তারা
স্থানীয়দের সাথে নিয়ে দোকানটিতে হেবযুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম এর বক্তব্য
শুনছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় লোকজনসহ হেযবুত তওহীদের সদস্যরা
সংগঠনের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের ভিডিও বক্তব্য শুনছিলেন। এ সময় একটি সংঘবদ্ধ
চক্র সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা দেয়। হামলাকারীরা হেযবুত তওহীদকে ‘ইসলামবিরোধী’, ‘নাস্তিক’ ও
‘ইহুদিদের দালাল’ আখ্যায়িত করে জনতাকে উত্তেজিত করে পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ সৃষ্টির পাঁয়তারা
চালায়। সংঘাত এড়াতে সদস্যরা প্রচার বন্ধ করে স্থান ত্যাগ করতে শুরু করলে পেছন থেকে ৩০-৪০
জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
আহত রমনা জোনের সভাপতি মো. এরশাদ শিকদার বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়াতে তারা কর্মসূচি বন্ধ করে
চলে আসার সময় পেছন থেকে আক্রমণ করা হয়। ইট ও রডের আঘাতে তার শরীরে চারটি সেলাই
লেগেছে। তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে তাদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। উসকানিমূলক কথা
বলে মানুষকে উত্তেজিত করে এই ন্যক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু
বিচার দাবি করেন।
তবে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে হাজারীবাগ থানা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি আকতার উল আলম
সোহেল ঘটনার বিষয়ে অবগত নন বলে জানান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা হাজারীবাগ থানায় লিখিত
অভিযোগ দায়ের করেছেন।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযোগ
পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হেযবুত তওহীদের ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ এই হামলার তীব্র নিন্দা ও
প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার
জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho