
নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক তরুণীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ভাবিচা (জাবরীপাড়া) গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেগ্রেপ্তাররা হলেন- লথিরাম সরেণের ছেলে অনুপ সরেণ (২০), ক্ষুদিরামের ছেলে চিরঞ্জন হাসদা (১৯), ঈশ্বর স্বরেণের ছেলে প্রশান্ত স্বরেণ (১৯)। তারা তিনজনই জাবরিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।তারা সবাই নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি নিয়ামতপুরের ভাবিচা গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাদীনির বোনের মেয়ে (ভিকটিম) আমন্ত্রিত হয়ে আসেন। ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯:৩০ মিনিটের দিকে বিয়ের বাড়ির পরিবেশের মধ্যে ৩নং আসামি প্রশান্ত সরেন সুকৌশলে ভিকটিমকে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে যান।
পরবর্তীতে ২নং আসামি রঞ্জন হাসদার বাবার খলিয়ানে থাকা খড়ের পালার আড়ালে নিয়ে আসামিরা ভিকটিমকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম তাদের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করে দৌড়ে বিয়ের বাড়িতে ফিরে আসেন এবং স্বজনদের বিষয়টি অবগত করেন।
ঘটনার পর নিয়ামতপুর থানায় ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৫)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে আজ বেলা ১১টার দিকে আসামিদের নিজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেন।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিদের আজই বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত নং-৭, নওগাঁয় সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং আসামিরা যেন জামিনে মুক্ত হয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য তাদের জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho