শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশি ফল আমড়ার এত গুণ!

জহিরুল ইসলাম রিপন ।।

দেশি ফল আমড়া সাধারণ কাঁচা খেতে টক বা টক-মিষ্টি হয়। তবে পাকলে টকভাব কমে আসে এবং মিষ্টি হয়ে যায়। এটি কাঁচা ও পাকা রান্না করে বা আচার বানিয়ে খাওয়া যায়। আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আমড়ার মৌসুম।

এতে প্রায় ৯০ ভাগই পানি, ৪-৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য প্রোটিন থাকে। ১০০ গ্রাম আমড়ায় ভিটামিন-সি পাওয়া যায় ২০ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম, সামান্য ভিটামিন-বি, ক্যালসিয়াম ৩৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪ মিলিগ্রাম। আমড়ায় যথেষ্ট পরিমাণ পেকটিন জাতীয় ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকে।

ফল ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।

এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ: ১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

২. রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

৩. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।

৪. আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।

৫. আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়। ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

৬. বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।

৭. রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে এটি বেশ উপকারী।

৯. হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

যশোরে আসামি জামিনে বেরিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

দেশি ফল আমড়ার এত গুণ!

প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯
জহিরুল ইসলাম রিপন ।।

দেশি ফল আমড়া সাধারণ কাঁচা খেতে টক বা টক-মিষ্টি হয়। তবে পাকলে টকভাব কমে আসে এবং মিষ্টি হয়ে যায়। এটি কাঁচা ও পাকা রান্না করে বা আচার বানিয়ে খাওয়া যায়। আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আমড়ার মৌসুম।

এতে প্রায় ৯০ ভাগই পানি, ৪-৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য প্রোটিন থাকে। ১০০ গ্রাম আমড়ায় ভিটামিন-সি পাওয়া যায় ২০ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম, সামান্য ভিটামিন-বি, ক্যালসিয়াম ৩৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪ মিলিগ্রাম। আমড়ায় যথেষ্ট পরিমাণ পেকটিন জাতীয় ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকে।

ফল ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।

এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ: ১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

২. রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

৩. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।

৪. আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।

৫. আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়। ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

৬. বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।

৭. রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে এটি বেশ উপকারী।

৯. হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।