সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার পরমাণুবাহী ‘টপল’ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ

নুরুজ্জামান লিটন :=

রাশিয়া ‘টপল’ নামে পরমাণুবাহী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ করেছে। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ভিডিও প্রকাশ করা হয়। দক্ষিণ আস্ট্রাকানের কাপুস্তিন ইয়ার এলাকায় এর সফল পরীক্ষার দাবি করা হয়েছে। খবর রাশিয়ার গণমাধ্যম স্পুটনিকের।

রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিকে (ভিকোনতাকতে) প্লাটফর্মে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। ভিকে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশের দিকে ছোড়া হয়েছে পরে তা মেঘের আড়ালে হারিয়ে যায়।

১৯৮০ সালের শেষ দিকে ও ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে টপল-এম কৌশলগত আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পদ্ধতিটির বিকাশ লাভ করেছে। এটি স্বাভাবিকভাবে ৮০০ কেটি পরমাণু বহন করতে সক্ষম। যার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ৮ লাখ টন টিএনটি। জাপানের নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালে বিস্ফোরিত হওয়া পারমাণবিক বোমার চেয়ে ৪০ গুণ শক্তিশালী।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

রাশিয়ার পরমাণুবাহী ‘টপল’ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯
নুরুজ্জামান লিটন :=

রাশিয়া ‘টপল’ নামে পরমাণুবাহী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ করেছে। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ভিডিও প্রকাশ করা হয়। দক্ষিণ আস্ট্রাকানের কাপুস্তিন ইয়ার এলাকায় এর সফল পরীক্ষার দাবি করা হয়েছে। খবর রাশিয়ার গণমাধ্যম স্পুটনিকের।

রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিকে (ভিকোনতাকতে) প্লাটফর্মে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। ভিকে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশের দিকে ছোড়া হয়েছে পরে তা মেঘের আড়ালে হারিয়ে যায়।

১৯৮০ সালের শেষ দিকে ও ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে টপল-এম কৌশলগত আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পদ্ধতিটির বিকাশ লাভ করেছে। এটি স্বাভাবিকভাবে ৮০০ কেটি পরমাণু বহন করতে সক্ষম। যার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ৮ লাখ টন টিএনটি। জাপানের নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালে বিস্ফোরিত হওয়া পারমাণবিক বোমার চেয়ে ৪০ গুণ শক্তিশালী।