১. করোনার বৈশিষ্ট্য নিয়ে কিছু পড়াশোনা করেছিলাম। পনের হাজার বেনাপোলবাসীর অধিকতর নিরাপত্তায়। সাবধানতার জন্য এ আয়োজন।২. এরপর ১৫ মার্চ পর্যন্ত বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রায় চার লাখ যাত্রী পারাপার হয়। সরকারী সংস্থার কেউ জানামতে আল্লাহর কৃপায় করোনা আক্রান্ত হয়নি।
৩. উহানে করোনা আবির্ভাবের ১৫ সপ্তাহ পরেও বেনাপোলে করোনা রোগী দেখা যায়নি।৪. বেনাপোল আগে ভাবে, আগে চলে, আগে করে—অনেকের চোখে এটা আমাদের বড় দোষ! এখন অনেকেই সেচলা ‘সময়ানুগ’ ‘আগে দেখি’ বলে ধন্যবাদ দিচ্ছেন। অর্বাচীন সমালোচকরাও।৫. গত ২০ ফেব্রুয়ারি করোনা সন্দেহযুক্ত যাত্রীর কাহিনী সবার জানা! নতুন প্রজন্মের কিছু ব্লগার ও সংবাদকর্মীর আক্রমণে আমরা রীতিমতো নাস্তানাবুদ! গৃহবন্দীত্ব থেকে তারা আজ অনেকে আক্ষেপে!৬. সেসব সংবাদসেবীরা করোনা ভয়াবহতা আঁচ করতে পারেননি। সেদিন তাঁরা সরকার ও জনগণকে গাইড করলে সাড়ে ছয় লাখ প্রবাসী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল হতে পারতো!৭. সহকর্মীসহ আমরা দুদেশের হাজার হাজার মানুষের মধ্যে ছিলাম। দীর্ঘ প্রায় দু’মাস। ঝুঁকি ছিল। আতংক ছিল! ছিল দায়িত্ব পালন। সাথে সীমিত প্রশিক্ষণ। যুদ্ধের সম্বল বলতে ওইটুকুই!

যাত্রীদের ব্যাপারে আমাদের নিশ্চিদ্র সতর্কতা বজায় ছিল। কাস্টম হাউস থেকে সবার কল্যানে নেয়া হয় আরো দুডজন পদক্ষেপ।ভালো কিছু হলে সবার। বেনাপোলবাসীর! ব্যর্থতা আমাদের। কেউ ধরিয়ে দিলে শুধরে নেব। দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে দ্বেষ খেদ উপেক্ষা করে এগিয়ে যাব।
আগামি ও পরের সপ্তাহটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আক্রমণ সংখ্যা উঁচুতে উঠে নামতে শুরু করবে। ঠিক চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো।পরিশেষে বলেন, “জীবন আপনার নিরাপত্তাও আপনার! ঠিক থাকলে ইহকাল-পর কালের পুরস্কারও আপনার! ভালো থাকুন সবাই।
ঘরে থাকুন। কভিড ১৯ থেকে মুক্ত থাকুন।”ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তার টীম (বেনাপোল কাস্টমস সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী) , অন্যান্য অংশীজন, বেনাপোলবাসী ও বেনাপোল মিডিয়া সেবীদের।
নিজস্ব সংবাদদাতা 







































