মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে করোনা রোগীর লাশ সৎকার নিয়ে রণক্ষেত্র, ২০ পুলিশ আহত

দেবুল কুমার দাস ।।

করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ সৎকারকে কেন্দ্র করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।সোমবার ভোরে আলিপুরদুয়ারে শালকুমারহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছে এনডিটিভি।ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, একদল পুলিশ সদস্য সোমবার মাঝ রাতে কোভিড-১৯ আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার মরদেহ গোপনে তিস্তার চরে মাটিচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।এসময় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তুমুল সংঘর্ষ বাধে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আহত হন স্থানীয় এক যুবক।

এরপর উত্তেজিত জনতা পুলিশের তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই এলাকা।শেষপর্যন্ত রক্তাক্ত অবস্থায় জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলের ভেতর দিয়ে পুলিশ সদ্যরা পালিয়ে বাঁচেন।

রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক বীরেন্দ্র বলেন, জনতার হামলায় ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।তিনি বলেন, পুলিশের ওপর এই ধরনের হামলা দুর্ভাগ্যজনক। তার মতে, মৃতের শেষকৃত্য নিয়ে যদি স্থানীয়দের কোনো অভিযোগ থাকে তবে তাদের উচিত ছিল স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে গিয়ে কথা বলা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

পশ্চিমবঙ্গে করোনা রোগীর লাশ সৎকার নিয়ে রণক্ষেত্র, ২০ পুলিশ আহত

প্রকাশের সময় : ০৬:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

দেবুল কুমার দাস ।।

করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ সৎকারকে কেন্দ্র করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।সোমবার ভোরে আলিপুরদুয়ারে শালকুমারহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছে এনডিটিভি।ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, একদল পুলিশ সদস্য সোমবার মাঝ রাতে কোভিড-১৯ আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার মরদেহ গোপনে তিস্তার চরে মাটিচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।এসময় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তুমুল সংঘর্ষ বাধে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আহত হন স্থানীয় এক যুবক।

এরপর উত্তেজিত জনতা পুলিশের তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই এলাকা।শেষপর্যন্ত রক্তাক্ত অবস্থায় জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলের ভেতর দিয়ে পুলিশ সদ্যরা পালিয়ে বাঁচেন।

রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক বীরেন্দ্র বলেন, জনতার হামলায় ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।তিনি বলেন, পুলিশের ওপর এই ধরনের হামলা দুর্ভাগ্যজনক। তার মতে, মৃতের শেষকৃত্য নিয়ে যদি স্থানীয়দের কোনো অভিযোগ থাকে তবে তাদের উচিত ছিল স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে গিয়ে কথা বলা।