বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে করোনায় প্রথম মৃত্যু ব্যক্তি হাতীবান্ধা উপজেলার

মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ/=   
করোনায় লালমনিরহাটে জেলায় প্রথম মৃত্যু ব্যক্তি  ছিলেন হাতীবান্ধার টংভাঙা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাড়াইপাড়া সড়কের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৯ জুন তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় মারা যান। গত রাতে লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে মৃত্যু পরবর্তী তার করোনা পজেটিভ শনাক্তের রিপোর্ট এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায়। তিনি আব্দুস ছামাদের ছেলে কেরামত আলী। মৃত্যুকালে  ছয় বছরের এক সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে গেছেন। কর্মজীবনে অ্যালকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। গত ৬ জুন তিনি বাস যোগে সেখান থেকে বাড়ীতে আসেন স্ত্রী ও ছেলেকে সাথে নিয়ে। তবে তিনি দীর্ঘদিন থেকে এ্যাজমা ও হার্ট দূর্বলতা রোগে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী কামরুল হাসান।  গত ৯ জুন সকালে তিনি অসুস্থ্য হলে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই  তিনি দুপুর আড়াইটার দিকে মারা যান।তার নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষা করে জানাযায়  সে করোনা পজেটিভ। বিষয়টি আজ  নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট জেলা সিভিল সার্জন  ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

কেরানীগঞ্জে জামাতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, আহত ৩

লালমনিরহাটে করোনায় প্রথম মৃত্যু ব্যক্তি হাতীবান্ধা উপজেলার

প্রকাশের সময় : ০৮:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০
মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ/=   
করোনায় লালমনিরহাটে জেলায় প্রথম মৃত্যু ব্যক্তি  ছিলেন হাতীবান্ধার টংভাঙা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাড়াইপাড়া সড়কের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৯ জুন তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় মারা যান। গত রাতে লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে মৃত্যু পরবর্তী তার করোনা পজেটিভ শনাক্তের রিপোর্ট এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায়। তিনি আব্দুস ছামাদের ছেলে কেরামত আলী। মৃত্যুকালে  ছয় বছরের এক সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে গেছেন। কর্মজীবনে অ্যালকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। গত ৬ জুন তিনি বাস যোগে সেখান থেকে বাড়ীতে আসেন স্ত্রী ও ছেলেকে সাথে নিয়ে। তবে তিনি দীর্ঘদিন থেকে এ্যাজমা ও হার্ট দূর্বলতা রোগে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী কামরুল হাসান।  গত ৯ জুন সকালে তিনি অসুস্থ্য হলে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই  তিনি দুপুর আড়াইটার দিকে মারা যান।তার নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষা করে জানাযায়  সে করোনা পজেটিভ। বিষয়টি আজ  নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট জেলা সিভিল সার্জন  ।