
আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ:/=
বরাবরই ভারতকে চির শত্রু হিসেবে গন্য করে পাকিস্তান। যে কারনে দুটি যুদ্ধ ছাড়াও তারা ভারত সীমান্তে জঙ্গিপনা চালিয়ে যাচ্ছে অনবরত।
পাকিস্তানের নীতি হলো ভারতের যে শত্রু হবে- তারা হবে পাকিস্তানের মিত্র। সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে চিনের দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যা চলছে। ১৯৬২ সালে তো যুদ্ধই বেঁধে যায়।এবার ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে চিনকে পুরানো স্বভাব অটুট রেখে চিনকে সমর্থন দিয়েছে পাকিস্তান।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ভারতই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে পাকিস্তানের দাবি। মঙ্গলবার বিতর্কিত জম্মু ও কাশ্মিরের লাদাখে চিনা সেনাদের সাথে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। ১৯৭৫ সালের পর থেকে দুটি সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে এটিই প্রথম রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
বুধবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এক বিবৃতিতে একধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেন, চিন আন্তরিকভাবে ও আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত ইস্যুটি সমাধান করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। তবে ভারত এটিকে একই মনোভাবের সাথে গ্রহণ করেনি। যার ফলে এ অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যায়।
এই সংঘর্ষের ফলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা শুরু করেছে পাকিস্তান। কোরেশি বলেন, এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ কয়েক দশকের মধ্যে একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। এটি স্পষ্টতই ভারতের হিন্দুত্ববাদী আদর্শের ফলাফল।ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধের বিষয়ে বেইজিংয়ের ‘নীতিগত’ অবস্থানকে সমর্থন করে তিনি বলেন, লাদাখ ও তিব্বতের ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার সীমান্ত একটি বিবদমান অঞ্চল।
ভারত যদি মনে করে তারা এই অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যাবে, তাহলে সম্ভবত চিন কখনোই সেটা মেনে নেবে না।দু’দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে রয়েছে।যখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভূখণ্ড নিজেদের দাবি করেছে চিন, তখন লাদাখ অঞ্চলের কিছু অংশসহ হিমালয়ের আকসাই চিন মালভূমি বেইজিংয়ের দখলে বলে অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি।
গত আগস্টে বিতর্কিত জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকার কয়েক দশকের বিশেষ মর্যাদা ভারতের কেড়ে নেয়ার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লির এসব বিতর্কিত পদক্ষেপ চিন ও পাকিস্তান প্রত্যাখ্যান করেছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা 


























