মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে মাঝরাতে হঠাৎ করে মাটির নিচে ঢুকে গেল ৫ টি বাড়ি

সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ:/=

রাতের খাবার খেয়ে ঘুমে গিয়েছিলেন শাহনাজ বিবি নামের এক নারী। তার সেই ঘুম আর ভাঙেনি। মধ্যরাতে আচমকা মাটির নিচে ঢুকে যাওয়ার পাঁচ বাড়ির একটিতে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় হইচই শুরু হয়েছিল। ঘটনাটি ভারতের দুর্গাপুরের অণ্ডালের জামবাদ বেনিয়াডি এলাকায় ঘটেছিল। একের পর এক পাঁচটি বাড়ি মাটির তলায় ঢুকে যাওয়ায় হতবাক হয়েছিলেন সবাই। ভয়ংকর এ ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন অনেকে। তলিয়ে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের এখনো পুর্নবাসন দেয়া হয়নি। জানা গেছে, পাঁচ বাড়িতে থাকতেন ২০ টি পরিবার। পরিত্যক্ত আবাসনে এখনো ১৬ পরিবার বাস করছে। তাদের কপালে যেকোনো সময় মৃত্যু আসতে পারে। কয়েক বছর ধরে ওই পরিবারগুলো পুর্নবাসনের জন্য দাবি করে আসছিল। তবে এখনো তাদের পুনর্বাসন হয়নি। ইসিএল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় নাকি চরম ক্ষতির সম্মুখীন প্রায় ২০টি পরিবার। ওই এলাকায় ২৪০ টি বাড়ি রয়েছে। যতক্ষণ স্থানীয়রা পুর্নবাসন পাবেন না, ততক্ষণ ওই সব বাড়িদের বাসিন্দারা বিক্ষোভ করবেন।এদিকে শাহনাজ বিবি নামের ওই নারীর মারা গেলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিন সন্তানসহ স্বামী শেখ মিরাজ। তারা পরিত্যক্ত আবাসনের পাশে একটি বাড়ি বানিয়ে থাকছিলেন। সূত্র-জি নিউজ

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ভারতে মাঝরাতে হঠাৎ করে মাটির নিচে ঢুকে গেল ৫ টি বাড়ি

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ:/=

রাতের খাবার খেয়ে ঘুমে গিয়েছিলেন শাহনাজ বিবি নামের এক নারী। তার সেই ঘুম আর ভাঙেনি। মধ্যরাতে আচমকা মাটির নিচে ঢুকে যাওয়ার পাঁচ বাড়ির একটিতে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় হইচই শুরু হয়েছিল। ঘটনাটি ভারতের দুর্গাপুরের অণ্ডালের জামবাদ বেনিয়াডি এলাকায় ঘটেছিল। একের পর এক পাঁচটি বাড়ি মাটির তলায় ঢুকে যাওয়ায় হতবাক হয়েছিলেন সবাই। ভয়ংকর এ ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন অনেকে। তলিয়ে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের এখনো পুর্নবাসন দেয়া হয়নি। জানা গেছে, পাঁচ বাড়িতে থাকতেন ২০ টি পরিবার। পরিত্যক্ত আবাসনে এখনো ১৬ পরিবার বাস করছে। তাদের কপালে যেকোনো সময় মৃত্যু আসতে পারে। কয়েক বছর ধরে ওই পরিবারগুলো পুর্নবাসনের জন্য দাবি করে আসছিল। তবে এখনো তাদের পুনর্বাসন হয়নি। ইসিএল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় নাকি চরম ক্ষতির সম্মুখীন প্রায় ২০টি পরিবার। ওই এলাকায় ২৪০ টি বাড়ি রয়েছে। যতক্ষণ স্থানীয়রা পুর্নবাসন পাবেন না, ততক্ষণ ওই সব বাড়িদের বাসিন্দারা বিক্ষোভ করবেন।এদিকে শাহনাজ বিবি নামের ওই নারীর মারা গেলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিন সন্তানসহ স্বামী শেখ মিরাজ। তারা পরিত্যক্ত আবাসনের পাশে একটি বাড়ি বানিয়ে থাকছিলেন। সূত্র-জি নিউজ