বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে করোনায় আক্রান্ত আড়াই’শ অমুসলিমের সৎকার করেছেন মুসলমানরা

ইমরান হোসেন আশা:/=

ভারতের মুম্বাইয়ের বাদা কবরস্থানের কর্মীরা গত তিন মাসে আড়াই’শ অমুসলিমের সৎকার করেছেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এসব অমুসলিমের সৎকারে এগিয়ে আসেনি তাদের স্বজনরা। মুম্বাইয়ের মেরিন লাইনে অবস্থিত এই কবরস্থানের কর্মীরা সৎকারের কাজগুলো করেছেন সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে। লাশ সৎকারের পাশাপাশি তাঁরা রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছেও দিচ্ছেন।

করোনা আক্রান্ত কোনো মৃত ব্যক্তির লাশ যদি তার স্বজনরা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সৎকারের জন্য তাঁদের খবর দেয়। কবরস্থান কর্মীরা জানান, রোগী ও লাশ পরিবহনের জন্য তাঁরা প্রথমে বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করে। ফলে তাঁরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলেন। ছয়টি পরিত্যক্ত অ্যাম্বুল্যান্সমেরামত করে তা এই কাজে ব্যবহার করেছেন তাঁরা। কবরস্থান কর্মীদের ১০ সদস্যের একটি দল লাশ সৎকারে কাজ করছে। পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ীই মুসলিম কর্মীরা কাজ সম্পন্ন করছেন। তাঁরা বলেন, কোনো কোনো মৃত ব্যক্তির পরিবার সামান্য অর্থ দিতে চাইলেও তাঁরা তা গ্রহণ করেন না। সূত্র : মুসলিম মিরর

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ভারতে করোনায় আক্রান্ত আড়াই’শ অমুসলিমের সৎকার করেছেন মুসলমানরা

প্রকাশের সময় : ০৭:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

ইমরান হোসেন আশা:/=

ভারতের মুম্বাইয়ের বাদা কবরস্থানের কর্মীরা গত তিন মাসে আড়াই’শ অমুসলিমের সৎকার করেছেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এসব অমুসলিমের সৎকারে এগিয়ে আসেনি তাদের স্বজনরা। মুম্বাইয়ের মেরিন লাইনে অবস্থিত এই কবরস্থানের কর্মীরা সৎকারের কাজগুলো করেছেন সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে। লাশ সৎকারের পাশাপাশি তাঁরা রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছেও দিচ্ছেন।

করোনা আক্রান্ত কোনো মৃত ব্যক্তির লাশ যদি তার স্বজনরা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সৎকারের জন্য তাঁদের খবর দেয়। কবরস্থান কর্মীরা জানান, রোগী ও লাশ পরিবহনের জন্য তাঁরা প্রথমে বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করে। ফলে তাঁরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলেন। ছয়টি পরিত্যক্ত অ্যাম্বুল্যান্সমেরামত করে তা এই কাজে ব্যবহার করেছেন তাঁরা। কবরস্থান কর্মীদের ১০ সদস্যের একটি দল লাশ সৎকারে কাজ করছে। পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ীই মুসলিম কর্মীরা কাজ সম্পন্ন করছেন। তাঁরা বলেন, কোনো কোনো মৃত ব্যক্তির পরিবার সামান্য অর্থ দিতে চাইলেও তাঁরা তা গ্রহণ করেন না। সূত্র : মুসলিম মিরর