শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল ভুমি অফিসে দাখিলা বই সংকটে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত

দেবুল কুমার দাস #

বেনাপোল ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দাখিলা বই না থাকায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিসে সরকারী রাজস্ব আদায়ের (দাখিলা বই) রশীদ বই না থাকায় খাজনা দিতে না পেরে ফিরে যাচ্ছে ভুক্তভোগিরা।

বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের আশরাফ হোসেন বলেন, আমি ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গিয়েছিলাম কিন্তু খাজনা আদায়ের রশীদ বই না থাকায় আমি ফিরে যাচ্ছি। এতে করে আমার সময় ও কাজের ক্ষতি দুইটাই হলো।

ভবেরবেড় গ্রামের আব্দুল মাজিদ বলেন, আমি রশিদ বই না থাকায় খাজনা দিতে না পেরে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মত অনেকে খাজনা দিতে এসে ফিরে যাচ্ছে। ভুমি অফিসার বলেছে আগামি সপ্তাহে আসবে বই তখন আসবেন।

বেনাপোল ভুমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইদ মোল্যা বলেন, দাখিলা বইয়ের সংকটে খাজনা নিতে পারছি না। শার্শায় গিয়েছিলাম সেখানে বই নেই। এমনকি যশোর ডিসি অফিসেও নেই। হয়ত আগামী সপ্তাহে চলে আসবে। একদিন দাখিলা বই সংকটে কত টাকা রাজস্ব আদায় হবে না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গড়ে প্রতিদিন আমাদের ২০ হাজার টাকা আদায় হয়ে থাকে। কতদিন যাবৎ বই সংকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বই সংকট দেখা দিয়েছে। আমি বই এর ব্যাপারে উপজেলা ভুমি অফিসকে অবহিত করেছি।

শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাসনা শারমীন মিথি বলেন, আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি এখনই জানছি ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার কাছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

কলারোয়ায় বাস-নছিমন সংঘর্ষে নিহত ১

বেনাপোল ভুমি অফিসে দাখিলা বই সংকটে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত

প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

দেবুল কুমার দাস #

বেনাপোল ইউনিয়ন ভুমি অফিসে দাখিলা বই না থাকায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিসে সরকারী রাজস্ব আদায়ের (দাখিলা বই) রশীদ বই না থাকায় খাজনা দিতে না পেরে ফিরে যাচ্ছে ভুক্তভোগিরা।

বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের আশরাফ হোসেন বলেন, আমি ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গিয়েছিলাম কিন্তু খাজনা আদায়ের রশীদ বই না থাকায় আমি ফিরে যাচ্ছি। এতে করে আমার সময় ও কাজের ক্ষতি দুইটাই হলো।

ভবেরবেড় গ্রামের আব্দুল মাজিদ বলেন, আমি রশিদ বই না থাকায় খাজনা দিতে না পেরে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মত অনেকে খাজনা দিতে এসে ফিরে যাচ্ছে। ভুমি অফিসার বলেছে আগামি সপ্তাহে আসবে বই তখন আসবেন।

বেনাপোল ভুমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইদ মোল্যা বলেন, দাখিলা বইয়ের সংকটে খাজনা নিতে পারছি না। শার্শায় গিয়েছিলাম সেখানে বই নেই। এমনকি যশোর ডিসি অফিসেও নেই। হয়ত আগামী সপ্তাহে চলে আসবে। একদিন দাখিলা বই সংকটে কত টাকা রাজস্ব আদায় হবে না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গড়ে প্রতিদিন আমাদের ২০ হাজার টাকা আদায় হয়ে থাকে। কতদিন যাবৎ বই সংকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বই সংকট দেখা দিয়েছে। আমি বই এর ব্যাপারে উপজেলা ভুমি অফিসকে অবহিত করেছি।

শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাসনা শারমীন মিথি বলেন, আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি এখনই জানছি ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার কাছে।