রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রকে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি #

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র খোরশেদ ব্যাপারীকে (৯)। খোরশেদ ব্যাপারী স্থানীয় আলোকবর্তিকা স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে। ৫ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার খোরশেদকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুর্গাপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে শুভ, নিহাতসহ ওই শিশুটির সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এর একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে খোরশেদ পালিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ খোরশেদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

এ ব্যাপারে খোরশেদ ব্যাপারীর বড় ভাই আব্দুল খালেক বলেন, বিষয়টি সাজানো। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাঘাটা থানার ওসি মো. বেলাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে খোরশেদ আলমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু বলেন, বিষয়টি সাজানো। ৯ বছরের একজন শিশুর ধর্ষণ করার উপযোগী বডি ফিটনেস কতটুকু তা সবারই জানা। এছাড়া ভিকটিমকে স্থানীয়ভাবে ডাক্তারি পরীক্ষা না করিয়ে রংপুরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রকে

প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

গাইবান্ধা প্রতিনিধি #

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র খোরশেদ ব্যাপারীকে (৯)। খোরশেদ ব্যাপারী স্থানীয় আলোকবর্তিকা স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে। ৫ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার খোরশেদকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুর্গাপুর গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে শুভ, নিহাতসহ ওই শিশুটির সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এর একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে খোরশেদ পালিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ খোরশেদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

এ ব্যাপারে খোরশেদ ব্যাপারীর বড় ভাই আব্দুল খালেক বলেন, বিষয়টি সাজানো। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাঘাটা থানার ওসি মো. বেলাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে খোরশেদ আলমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু বলেন, বিষয়টি সাজানো। ৯ বছরের একজন শিশুর ধর্ষণ করার উপযোগী বডি ফিটনেস কতটুকু তা সবারই জানা। এছাড়া ভিকটিমকে স্থানীয়ভাবে ডাক্তারি পরীক্ষা না করিয়ে রংপুরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ।