রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নৌবাহিনীতে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জাহাজ যুক্ত করছে ইরান

আব্দুল লতিফ ##  ইরানের নৌবাহিনীতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে। সমুদ্র অভিযানে ইরানি নৌবাহিনীকে লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার জন্য এ জাহাজ ব্যবহৃত হবে এবং এতে হেলিকপ্টার বহন করা সম্ভব হবে। জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

বুধবার মাকরান নামের এ জাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ইরানের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং সেনাবাহিনীর চিফ কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাভি। খবর পার্সটুডের

ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে, এডেন উপসাগরের বাবুল মান্দেবে এবং লোহিত সাগরের মতো এলাকায় ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযানের সময় এই জাহাজ লজিস্টিক সাপোর্ট দেবে। এ ধরনের জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ বন্দর বলা হয় এবং এমন সামুদ্রিক অভিযানের সময় জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে থাকে।

জাহাজটির ডেকে হেলিকপ্টার, গানশিপ এবং ড্রোন ওঠানামা করতে পারবে। এছাড়া, নৌবাহিনীর জন্য হোভারক্রাফট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের নৌযান বহন করতে পারবে। উত্তাল সমুদ্রের মারাত্মক প্রতিকূল অবস্থার ভেতরেও এ জাহাজ তার মিশন চালাতে পারবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

সুস্থ থাকতে খেতে পারেন যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা

নৌবাহিনীতে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জাহাজ যুক্ত করছে ইরান

প্রকাশের সময় : ০৫:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

আব্দুল লতিফ ##  ইরানের নৌবাহিনীতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে। সমুদ্র অভিযানে ইরানি নৌবাহিনীকে লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার জন্য এ জাহাজ ব্যবহৃত হবে এবং এতে হেলিকপ্টার বহন করা সম্ভব হবে। জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

বুধবার মাকরান নামের এ জাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ইরানের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং সেনাবাহিনীর চিফ কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাভি। খবর পার্সটুডের

ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে, এডেন উপসাগরের বাবুল মান্দেবে এবং লোহিত সাগরের মতো এলাকায় ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযানের সময় এই জাহাজ লজিস্টিক সাপোর্ট দেবে। এ ধরনের জাহাজকে ভ্রাম্যমাণ বন্দর বলা হয় এবং এমন সামুদ্রিক অভিযানের সময় জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে থাকে।

জাহাজটির ডেকে হেলিকপ্টার, গানশিপ এবং ড্রোন ওঠানামা করতে পারবে। এছাড়া, নৌবাহিনীর জন্য হোভারক্রাফট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের নৌযান বহন করতে পারবে। উত্তাল সমুদ্রের মারাত্মক প্রতিকূল অবস্থার ভেতরেও এ জাহাজ তার মিশন চালাতে পারবে।