সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মচারি ও তার স্ত্রী কারাগারে

মতিয়ার রহমান # #  আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মচারি (স্টেনোগ্রাফার) ফরিদ আহমেদ মোল্লা ও তার স্ত্রী পলি আহমেদকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি ও তার স্ত্রী মহানগর বিশেষ দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম জামিন না-মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

মামলায় দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান ও আইনজীবী সেলিম আল আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের স্টেনোগ্রাফার ফরিদ আহমেদ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বদলি, প্রমোশন ও নিয়োগ বানিজ্যে জড়িত।

দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান জানান, ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর ফরিদ আহমেদ মোল্লা ও তার স্ত্রীর নামে আয়বহির্ভূত ৩৩ লাখ ৩৫ হাজার ২০৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের সহকারি পরিচালক ফয়সাল গাজী তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় এতদিন তারা দু’জনেই উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী নিখোঁজ

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মচারি ও তার স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশের সময় : ০৫:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

মতিয়ার রহমান # #  আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মচারি (স্টেনোগ্রাফার) ফরিদ আহমেদ মোল্লা ও তার স্ত্রী পলি আহমেদকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি ও তার স্ত্রী মহানগর বিশেষ দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম জামিন না-মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

মামলায় দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান ও আইনজীবী সেলিম আল আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের স্টেনোগ্রাফার ফরিদ আহমেদ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বদলি, প্রমোশন ও নিয়োগ বানিজ্যে জড়িত।

দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান জানান, ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর ফরিদ আহমেদ মোল্লা ও তার স্ত্রীর নামে আয়বহির্ভূত ৩৩ লাখ ৩৫ হাজার ২০৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের সহকারি পরিচালক ফয়সাল গাজী তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় এতদিন তারা দু’জনেই উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন।