
রায়হান সোবহান ## চীনের একটি সোনার খনিতে বিস্ফোরণের ফলে খনির প্রবেশপথ সপ্তাহ খানেক আগে বন্ধ হয়ে গেলেও ভেতরে আটকে পড়ে ১২ শ্রমিক এখনও জীবিত রয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, শ্রমিকরা আবেদন জানিয়েছেন, তারা এখনও জীবিত এবং তাদের উদ্ধারের কাজ যেন বন্ধ না হয়।
গত ১০ জানুয়ারি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শানদুং প্রদেশের হুশান সোনার খনিটিতে বিস্ফোরণের পর মোট ২২জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ হন। এদিকে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গিয়েছে তাদের সংখ্যা ১২ জন বলে। অর্থাৎ বাকি ১০ জনের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি। খবর বিবিসির
চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকমীরা একটি সরু পাইপের সাহায্যে শ্রমিকদের এই দলটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছে। তারা প্রথমে পাইপের ভেতরে দড়ি পাঠানোর পর অনুভব করেন ভেতর থেকে এটি ধরে টানা হচ্ছে। তারপরে তারা ওই পথে খাবার, ওষুধ, কাগজ ও পেন্সিল ইত্যাদি ভেতরে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। তখন শ্রমিকরা তাদের অবস্থার কথা কাগজে লিখে জানান। তারা আরও বেশি ওষুধ বিশেষ করে ব্যথা ও প্রদাহনাশক ওষুধ এবং ব্যান্ডেজ পাঠানোর আবেদন করে। তারা যেখানে অবস্থান করছেন সেখানকার জলস্তর অনেক বেশি বলে জানিয়েছে।
উদ্ধারকর্মীরা এখন সুড়ঙ্গ কেটে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। জনপদ থেকে ওই খনিটি দূরে অবস্থিত হওয়ায় বিস্ফোরণের খবর উদ্ধারকর্মীরা একদিন পর জানতে পারে। ফলে ওই সময় উদ্ধারের জন্য পুরো একদিনের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যায়।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও একটি কয়লার খনিতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। আবার সেপ্টেম্বর মাসে আরেকটি খনিতে আগুন লেগে ১৬ জন শ্রমিক নিহত হন।
নিজস্ব সংবাদদাতা 





































