মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুজিববর্ষে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ

মামুন বাবু ## মুজিববর্ষে দেশব্যাপী তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজও। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই প্রকল্প।
দেশের প্রতি জেলা-উপজেলায় ৪০ শতাংশ জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে চার ও তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন ১২শ’ মুসল্লি। আর উপজেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন নয়শ মুসল্লি।

এরইমধ্যে অনেক মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যে বেশ জোরেশোরেই চলছে কাজ। আধুনিক নির্মাণশৈলী আর নান্দনিক এই মসজিদগুলোর ১৭০টির উদ্বোধন হবে এ বছরেই। এপ্রিলের প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মসজিদের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফারুখ আহমেদ বলেন, ‘এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারা ভাবতেও পারেনি যে এতো সুন্দর মসজিদ হবে। এতে তারা অনেক খুশি।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘মানুষ যখন ধর্মটাকে ভালোমতো জানতে পারবে তখনই জঙ্গিবাদ বা নৈতিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে তা অনেক কমে যাবে। এই মসজিদগুলো এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।’

একসঙ্গে এত মসজিদ নির্মাণের ঘটনা দেশে এই প্রথম। এতে ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তি ও ধর্মের অপব্যাখ্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি, প্রকৃত ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও চর্চা হবে বলে মনে করেন ইমামেরা। মসজিদের ইমামেরা বলেন, মসজিদে শুধু ইবাদত বন্দেগী করাই নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা সমাজে ইসলামের সংস্কৃতিও ছড়িয়ে দিতে পারবো। এই মসজিদগুলো জঙ্গিবাদ দমনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

মুজিববর্ষে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মামুন বাবু ## মুজিববর্ষে দেশব্যাপী তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজও। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই প্রকল্প।
দেশের প্রতি জেলা-উপজেলায় ৪০ শতাংশ জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে চার ও তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন ১২শ’ মুসল্লি। আর উপজেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন নয়শ মুসল্লি।

এরইমধ্যে অনেক মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যে বেশ জোরেশোরেই চলছে কাজ। আধুনিক নির্মাণশৈলী আর নান্দনিক এই মসজিদগুলোর ১৭০টির উদ্বোধন হবে এ বছরেই। এপ্রিলের প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মসজিদের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফারুখ আহমেদ বলেন, ‘এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারা ভাবতেও পারেনি যে এতো সুন্দর মসজিদ হবে। এতে তারা অনেক খুশি।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘মানুষ যখন ধর্মটাকে ভালোমতো জানতে পারবে তখনই জঙ্গিবাদ বা নৈতিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে তা অনেক কমে যাবে। এই মসজিদগুলো এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।’

একসঙ্গে এত মসজিদ নির্মাণের ঘটনা দেশে এই প্রথম। এতে ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তি ও ধর্মের অপব্যাখ্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি, প্রকৃত ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও চর্চা হবে বলে মনে করেন ইমামেরা। মসজিদের ইমামেরা বলেন, মসজিদে শুধু ইবাদত বন্দেগী করাই নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা সমাজে ইসলামের সংস্কৃতিও ছড়িয়ে দিতে পারবো। এই মসজিদগুলো জঙ্গিবাদ দমনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।