সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই

সজীব আকবর, ঢাকা ব্যুরোঃ চলে গেলেন না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এটিএম শামসুজ্জামানের নাতনি হাবিবা। তিনি প্রয়াত এই তারকার বড় মেয়ে কস্তুরি জামানের সন্তান।

এটিএম শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। আজও তিনি দর্শকের কাছে নন্দিত।

অসামান্য অভিনয়ের জন্য এটিএম শামসুজ্জামান পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদকও পেয়েছেন ২০১৫ সালে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

আমি পদত্যাগ করিনি

বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই

প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সজীব আকবর, ঢাকা ব্যুরোঃ চলে গেলেন না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এটিএম শামসুজ্জামানের নাতনি হাবিবা। তিনি প্রয়াত এই তারকার বড় মেয়ে কস্তুরি জামানের সন্তান।

এটিএম শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। আজও তিনি দর্শকের কাছে নন্দিত।

অসামান্য অভিনয়ের জন্য এটিএম শামসুজ্জামান পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদকও পেয়েছেন ২০১৫ সালে।