শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসহায় ভ্যানচালক বাবার সাহায্যের আকুতি

আবু রায়হান জিকো ## যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের বাইশা গ্রামের ভ্যান চালক নুরনবী তার মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে আকুতি জানিয়েছেন।

গত (৫ ফেব্রুয়ারি) গাছের ডাল পড়ে স্কুল ছাত্রী কোহিলী নামের ৮ বছরের এক মেয়ের বাম পায়ের মাজার নিচে থেকে হাঁটু পর্যন্ত তিনটি স্থানের হাড় ভেঙে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোহিলি পিতা সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী মেয়ের চিকিৎসা করেছেন।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, কোহিলীর দ্রুত অপারেশন করতে হবে তার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ভ্যানচালক নূরনবীর পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নুরনবীর তিন মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে কোহিলী ও কাকলী জমজ দুই বোন। ভ্যানচালক পিতার এই স্বল্প আয় দিয়েই কোন রকমে সংসার চলে তাদের। এই দরিদ্র পরিবারটি অন্যের জায়গায় বসবাস করছে। মেয়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য মানুষের দারে দারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অসহায় ভ্যানচালক পিতা নূরনবী। তার পক্ষে কোনভাবেই চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়।
এমতাবস্থায় কোহিলির অসহায় ও নিরুপায় ভ্যানচালক পিতা, মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য কামনা করেছেন।
কোহিলীকে আর্থিক সাহায্য পাঠানোর জন্য : 
বিকাশ নাম্বার: ০১৮১৭৮৮১৬৪১ (নূরনবী)।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

৭ জেলায় নির্বাচনী সমাবেশ শেষে ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান

অসহায় ভ্যানচালক বাবার সাহায্যের আকুতি

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১

আবু রায়হান জিকো ## যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ ইউনিয়নের বাইশা গ্রামের ভ্যান চালক নুরনবী তার মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তশালী মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে আকুতি জানিয়েছেন।

গত (৫ ফেব্রুয়ারি) গাছের ডাল পড়ে স্কুল ছাত্রী কোহিলী নামের ৮ বছরের এক মেয়ের বাম পায়ের মাজার নিচে থেকে হাঁটু পর্যন্ত তিনটি স্থানের হাড় ভেঙে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোহিলি পিতা সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী মেয়ের চিকিৎসা করেছেন।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, কোহিলীর দ্রুত অপারেশন করতে হবে তার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ভ্যানচালক নূরনবীর পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নুরনবীর তিন মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে কোহিলী ও কাকলী জমজ দুই বোন। ভ্যানচালক পিতার এই স্বল্প আয় দিয়েই কোন রকমে সংসার চলে তাদের। এই দরিদ্র পরিবারটি অন্যের জায়গায় বসবাস করছে। মেয়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য মানুষের দারে দারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অসহায় ভ্যানচালক পিতা নূরনবী। তার পক্ষে কোনভাবেই চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়।
এমতাবস্থায় কোহিলির অসহায় ও নিরুপায় ভ্যানচালক পিতা, মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য কামনা করেছেন।
কোহিলীকে আর্থিক সাহায্য পাঠানোর জন্য : 
বিকাশ নাম্বার: ০১৮১৭৮৮১৬৪১ (নূরনবী)।