মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে মার্শাল ল

ইমরান হোসেন আশা ## মিয়ানমারে বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৯ জনকে হত্যা করেছে পুলিশ। রবিবার ইয়াঙ্গুনের হ্লাইং থারাইয়ার এলাকায় চীনা অর্থায়নে পরিচালিত একটি কারখানায় অজ্ঞাতদের হামলাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সূচনা হয়। চীনা দূতাবাস কারখানার নিরাপত্তার আহ্বান জানানোর পর ওই এলাকায় মার্শাল ল জারি করে মিয়ানমার সামরিক জান্তা।

ইয়াঙ্গনের হ্লাইং থারাইয়ার এলাকায় অনেক কারখানা রয়েছে যেগুলো চীনা বিনিয়োগে তৈরি। চীনা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ এখানে চীনা কারখানাগুলো বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। জান্তা সরকার এরপর এই এলাকায় সামরিক আইন জারি করে।

বেইজিং বলছে, বিক্ষোভকারীরা রড, কুঠার এবং পেট্রোল নিয়ে আক্রমণ চালিয়ে অন্তত দশটি কারখানার ক্ষতিসাধন করেছে। এগুলো মূলত তৈরি পোশাকের কারখানা কিংবা গুদাম। একটি চীনা হোটেলও হামলার লক্ষ্যে পরিণত হয়।

মিয়ানমারের চীন দূতাবাস তাদের ফেসবুক পাতায় লিখেছে, কারখানাগুলোতে লুটপাট হয়েছে, ক্ষতিসাধন করা হয়েছে, বহু চীনা কর্মী আহত হয়েছে এবং তারা আটকা পড়েছে।

রবিবার ইয়াঙ্গুন শহরেই অন্তত ২১ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। অন্যরা মারা গেছেন দেশটির অন্যান্য শহরে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ একাধিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে মিয়ানমারের জনগণ জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। এখন পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে মার্শাল ল

প্রকাশের সময় : ০৩:৪২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

ইমরান হোসেন আশা ## মিয়ানমারে বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৯ জনকে হত্যা করেছে পুলিশ। রবিবার ইয়াঙ্গুনের হ্লাইং থারাইয়ার এলাকায় চীনা অর্থায়নে পরিচালিত একটি কারখানায় অজ্ঞাতদের হামলাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সূচনা হয়। চীনা দূতাবাস কারখানার নিরাপত্তার আহ্বান জানানোর পর ওই এলাকায় মার্শাল ল জারি করে মিয়ানমার সামরিক জান্তা।

ইয়াঙ্গনের হ্লাইং থারাইয়ার এলাকায় অনেক কারখানা রয়েছে যেগুলো চীনা বিনিয়োগে তৈরি। চীনা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ এখানে চীনা কারখানাগুলো বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। জান্তা সরকার এরপর এই এলাকায় সামরিক আইন জারি করে।

বেইজিং বলছে, বিক্ষোভকারীরা রড, কুঠার এবং পেট্রোল নিয়ে আক্রমণ চালিয়ে অন্তত দশটি কারখানার ক্ষতিসাধন করেছে। এগুলো মূলত তৈরি পোশাকের কারখানা কিংবা গুদাম। একটি চীনা হোটেলও হামলার লক্ষ্যে পরিণত হয়।

মিয়ানমারের চীন দূতাবাস তাদের ফেসবুক পাতায় লিখেছে, কারখানাগুলোতে লুটপাট হয়েছে, ক্ষতিসাধন করা হয়েছে, বহু চীনা কর্মী আহত হয়েছে এবং তারা আটকা পড়েছে।

রবিবার ইয়াঙ্গুন শহরেই অন্তত ২১ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। অন্যরা মারা গেছেন দেশটির অন্যান্য শহরে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ একাধিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে মিয়ানমারের জনগণ জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। এখন পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী।