
ভাগ্যক্রমে পাইলটসহ বিমানে থাকা প্রশিক্ষণার্থী (ক্যাডেট) সুস্থ আছেন। তাঁদের তেমন একটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিমানটি সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে আলুর জমিতে পড়ে। গ্রামের মধ্যে বিমান পড়তে দেখে প্রচুর মানুষ সেখানে ভিড় করতে থাকে।
রাজশাহীর হজরত শাহমখদুম (রহ.) বিমানবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই বিমানবন্দর থেকেই বিমানটি ওড়ে। এরপর তানোরে গিয়ে সেটি আলুখেতে আছড়ে পড়ে। বিমানটি সেখানে উপুড় হয়ে পড়ে আছে।
বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের রাজশাহীর প্রশিক্ষক ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান বিমানে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ক্যাডেট নাহিদ এরশাদ। ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা সুস্থ আছি। আমরা ঘটনাস্থলেই আছি।’
ক্যাডেট নাহিদ এরশাদ বলেন, ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইঞ্জিনের তেলের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছিল। তাঁদের করার কিছু ছিলোনা। তাঁরা ইঞ্জিন পাচ্ছিলেন না। তারপরও অবতরণের চেষ্টা করে নিরাপদে অবতরণ করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সুস্থ আছি। এয়ারক্রাফট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ইঞ্জিনে আগুন ধরেনি বলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি রাজশাহী বিমানবন্দরে ল্যান্ড করার সময় বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পড়েছিলো। বিমানটির চাকা ভেঙে গিয়েছিলো । তবে সে ঘটনাতেও কেউ হতাহত হননি।
উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালেও এই সংস্থার একটি বিমান রাজশাহীর বিমানবন্দরে আছড়ে পড়ে। বিমানে আগুন লেগে নারী প্রশিক্ষণার্থী সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। গুরুতর আহত প্রশিক্ষক পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা 







































