মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ## ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ এপ্রিল) সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী সড়কের আল তামরিত এলাকায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।

নিহতরা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন- পোমরা ইউনিয়নের আসকার আলী রোড এলাকার জাহেদ (৪২), সালাউদ্দিন (৪০) এবং আবছার (৪৫)। সালাউদ্দিন ও আবছারের বাড়ি বেতাগী ইউনিয়নের বালুরচর গ্রামে বলে জানা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া সবাই মাস্কাট মডার্ন রোজ ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামে একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন। কোম্পানিটির সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে তারা রাজধানী থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে সালালাহ সিটিতে পর্দার কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ শেষ করে মাস্কাট ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে গাড়ির চালক জাহেদ আমার আপন ভাগিনা।’
ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। নিহতদের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে বর্তমানে সালালাহ একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। সোমবার তাদের মাস্কাটে নিয়ে আসার কথা রয়েছে। এদিকে মর্মান্তিক এ ঘটনায় ওমানে বাংলাদেশ কমিউনিটির মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

গর্ভাবস্থায় যে ৫ ভুল করা যাবে না

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১১:০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ## ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ এপ্রিল) সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী সড়কের আল তামরিত এলাকায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।

নিহতরা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন- পোমরা ইউনিয়নের আসকার আলী রোড এলাকার জাহেদ (৪২), সালাউদ্দিন (৪০) এবং আবছার (৪৫)। সালাউদ্দিন ও আবছারের বাড়ি বেতাগী ইউনিয়নের বালুরচর গ্রামে বলে জানা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া সবাই মাস্কাট মডার্ন রোজ ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামে একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন। কোম্পানিটির সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে তারা রাজধানী থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে সালালাহ সিটিতে পর্দার কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ শেষ করে মাস্কাট ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে গাড়ির চালক জাহেদ আমার আপন ভাগিনা।’
ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। নিহতদের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে বর্তমানে সালালাহ একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। সোমবার তাদের মাস্কাটে নিয়ে আসার কথা রয়েছে। এদিকে মর্মান্তিক এ ঘটনায় ওমানে বাংলাদেশ কমিউনিটির মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।