শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ঢাকায় পৌঁছেছে ফাইজারের টিকা

ঢাকা ব্যুরো ##

অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ফাইজারের ১ লাখ ৬০০ ডোজ টিকার চালান ঢাকায় এসেছে। সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ টিকার চালান পৌঁছায়।

এর আগে রবিবার ফাইজারের টিকার চালান নিয়ে চলে দিনভর নাটকীয়তা। দফায় দফায় বদলায় ফাইজারের টিকা আসার দিনক্ষণ। নানা বিভ্রান্তির পর শেষ পর্যন্ত রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়, রবিবার নয়, সোমবার রাতে ঢাকায় আসবে কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া ফাইজারের ১ লাখ ৬০০ ডোজ টিকা।

সব দেশের জন্য কোভিড টিকা নিশ্চিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উদ্যোগে কোভ্যাক্স থেকে আসা এটিই হবে প্রথম চালান। তবে এ টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, কিছুটা জটিলতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরো জানায়, এই টিকা ঢাকায় আসার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে ইপিআইয়ের তত্ত্বাবধায়নে নিয়ে যাওয়া হবে মহাখালী সংরক্ষণাগারে। সেখানে আল্টা-লো ফ্রিজারে রাখা হবে মাইনাস ৬০ থেকে মাইনাস ৮০ ডিগ্রিতে।

কেন্দ্রে নেওয়ার পর ডাইলুয়েন্ট মিশিয়ে ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে মানবদেহে। সংরক্ষণ ও প্রয়োগ পদ্ধতিতে আগের ভ্যাকসিনগুলোর তুলনায় কিছু ভিন্নতা থাকায় ফাইজারের টিকার অপচয় রোধ করার দিকে নজর রাখার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

জনপ্রিয়

“পুনাক”কতৃক শ্রীমঙ্গলে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ 

অবশেষে ঢাকায় পৌঁছেছে ফাইজারের টিকা

প্রকাশের সময় : ০২:০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

ঢাকা ব্যুরো ##

অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ফাইজারের ১ লাখ ৬০০ ডোজ টিকার চালান ঢাকায় এসেছে। সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ টিকার চালান পৌঁছায়।

এর আগে রবিবার ফাইজারের টিকার চালান নিয়ে চলে দিনভর নাটকীয়তা। দফায় দফায় বদলায় ফাইজারের টিকা আসার দিনক্ষণ। নানা বিভ্রান্তির পর শেষ পর্যন্ত রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়, রবিবার নয়, সোমবার রাতে ঢাকায় আসবে কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া ফাইজারের ১ লাখ ৬০০ ডোজ টিকা।

সব দেশের জন্য কোভিড টিকা নিশ্চিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উদ্যোগে কোভ্যাক্স থেকে আসা এটিই হবে প্রথম চালান। তবে এ টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, কিছুটা জটিলতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরো জানায়, এই টিকা ঢাকায় আসার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে ইপিআইয়ের তত্ত্বাবধায়নে নিয়ে যাওয়া হবে মহাখালী সংরক্ষণাগারে। সেখানে আল্টা-লো ফ্রিজারে রাখা হবে মাইনাস ৬০ থেকে মাইনাস ৮০ ডিগ্রিতে।

কেন্দ্রে নেওয়ার পর ডাইলুয়েন্ট মিশিয়ে ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে মানবদেহে। সংরক্ষণ ও প্রয়োগ পদ্ধতিতে আগের ভ্যাকসিনগুলোর তুলনায় কিছু ভিন্নতা থাকায় ফাইজারের টিকার অপচয় রোধ করার দিকে নজর রাখার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।