সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পুলিশ সদস্য পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। অপরাধ প্রবনতা বেড়ে যাওয়ায়  আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পুলিশ সদস্য পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। গত এক বছরে দেশটির কয়েক হাজার পুলিশ কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন। জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর মানুষের মধ্যে সৃষ্ট জনরোষের জেরে তারা পুলিশ বাহিনী ছাড়ছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

২০২০ সালে পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সমাজকর্মী থেকে শুরু করে গণমাধ্যমকর্মী, এমনকি সাধারণ মানুষও পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন হয়ে উঠেছে। তাদের মধ্য থেকে পুলিশের জন্য বরাদ্দ কমানোরও দাবি এসেছে।

এ অবস্থায় মার্কিন পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আগাম অবসর নিচ্ছেন বা ভিন্ন কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করছেন। সেখানে পুলিশ-বিদ্বেষ এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছে যে, নিয়োগ দিতে নতুন লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত এক বছরে নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাশভাইল শহরের ২৩৮ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে ৮০ জনই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

সেখানকার পুলিশ প্রধান ডেভিড জ্যাক জানান, কর্মকর্তারা চাকরি ছাড়ছেন, কারণ সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে। তারা (বিক্ষোভকারীরা) বলছে, আমরা খারাপ হয়ে গেছি। কিন্তু আমরা খারাপ লোক হওয়ার জন্য পুলিশে যোগ দেইনি।

১৯৪টি পুলিশি সংস্থার ওপর জরিপ চালিয়ে চলতি মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ এক্সিকিউটিভ রিসার্চ ফোরাম। এতে দেখা গেছে, গত এপ্রিলে শেষ হওয়া বছরে দেশটিতে অবসর নেয়ার হার আগের বছরের তুলনায় ৪৫ শতাংশ এবং পদত্যাগের হার ১৮ শতাংশ বেড়ে গেছে।

অবশ্য পুলিশ সদস্য ঘাটতির মুখে আগের অনেক কঠোর নীতি থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে ডেমোক্র্যাট সরকার।

জনপ্রিয়

যশোর সালিশ শেষে ফেরার পথে হিজড়া যুবককে ব্লেড দিয়ে কুপিয়ে জখম

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পুলিশ সদস্য পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুন ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। অপরাধ প্রবনতা বেড়ে যাওয়ায়  আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পুলিশ সদস্য পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। গত এক বছরে দেশটির কয়েক হাজার পুলিশ কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন। জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর মানুষের মধ্যে সৃষ্ট জনরোষের জেরে তারা পুলিশ বাহিনী ছাড়ছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

২০২০ সালে পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সমাজকর্মী থেকে শুরু করে গণমাধ্যমকর্মী, এমনকি সাধারণ মানুষও পুলিশের প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন হয়ে উঠেছে। তাদের মধ্য থেকে পুলিশের জন্য বরাদ্দ কমানোরও দাবি এসেছে।

এ অবস্থায় মার্কিন পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আগাম অবসর নিচ্ছেন বা ভিন্ন কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করছেন। সেখানে পুলিশ-বিদ্বেষ এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছে যে, নিয়োগ দিতে নতুন লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত এক বছরে নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাশভাইল শহরের ২৩৮ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে ৮০ জনই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

সেখানকার পুলিশ প্রধান ডেভিড জ্যাক জানান, কর্মকর্তারা চাকরি ছাড়ছেন, কারণ সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে। তারা (বিক্ষোভকারীরা) বলছে, আমরা খারাপ হয়ে গেছি। কিন্তু আমরা খারাপ লোক হওয়ার জন্য পুলিশে যোগ দেইনি।

১৯৪টি পুলিশি সংস্থার ওপর জরিপ চালিয়ে চলতি মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ এক্সিকিউটিভ রিসার্চ ফোরাম। এতে দেখা গেছে, গত এপ্রিলে শেষ হওয়া বছরে দেশটিতে অবসর নেয়ার হার আগের বছরের তুলনায় ৪৫ শতাংশ এবং পদত্যাগের হার ১৮ শতাংশ বেড়ে গেছে।

অবশ্য পুলিশ সদস্য ঘাটতির মুখে আগের অনেক কঠোর নীতি থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে ডেমোক্র্যাট সরকার।