
বার্তাকন্ঠ ডেস্ক ।। জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিটি শহরে বহু মানুষ একা থাকেন। কেউ বাধ্য হোন, কেউবা স্বেচ্ছায়। শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনে যারা একা থাকেন তারা ছুটিতে পরিবারের কাছে চলে যেতে পারতেন।
কিংবা শহরে থাকলেও অফিস শেষে বন্ধুদের সাথে দেখা হতো, আড্ডায় অনেক কিছু শেয়ারও করা যেতো। কিন্তু কোভিড সব বদলে দিয়েছে। তার উপর সামনে আসছে লকডাউন। সবার সাথে ক্রমশ যোগাযোগ কমে যাচ্ছে। নাগরিক জীবনে অভ্যস্ত বহু মানুষকে একাকিত্ব গ্রাস করছে।
অতিমারির সঙ্কটের সময়টাতে নিজেকে ভালো রাখার পথ নিজেকেই খুঁজতে হবে।শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতায় নিজেকে ডুবিয়ে দেওয়া চলবে না। মনকে ভালো রাখতে হবে, যাতে ভগ্ন মন শরীরের উপর ভর না করে। কারণ, মন ও শরীর পরস্পর গভীর ভাবে সংযুক্ত। করোনাকালে কী ভাবে নিজেকে ভালো রাখবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক-
১.দিনের কিছুটা সময় প্রকৃতির সাথে সময় কাটান। এক্ষেত্রে সকালটা বেছে নিন। সকালে উঠে বেশ কিছুটা সময় রাস্তায় দৌড়াতে যাওয়া বা পার্কে শরীরচর্চা করতে পারেন। তাতে শরীর-মন দুই ভালো থাকবে। আর যদি বাইরে যেতে না চান, তাহলে বাড়িতেই শরীর চর্চা করতে পারেন। প্রয়োজনে ইউটিউব দেখে দেখে এক্সারসাইজের টিপসগুলো শিখে নিতে পারেন।
২.যদি দৌড়াতে না পারেন তাহলে প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে আধা ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করুন। সকালে হাঁটলে রক্তের লোহিত কণিকাগুলো থেকে চর্বি ঝরে যায়, হাঁটার সময় রক্তের ইনসুলিন ও গ্লুকোজ ক্ষয় হয়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে। সকালে হাঁটলে বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হৃৎপিন্ড রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত মস্তিষ্কে সরবরাহ করে। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া হাঁটলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। এতে ত্বকের লোমকূপগুলো খুলে যায় এবং শরীরের দূষিত পদার্থগুলো ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় দেখায়।
৩.নিজের জন্য রান্না করতে ইচ্ছা করে না অনেকের। কিন্তু এই সময়ে মনের যত্ন নেওয়া শুরু করা যায় এভাবেও। যেসব খাবার খেতে পছন্দ করেন কিন্তু রাঁধতে জানেন না। সেসব রান্না একা একা সময়টাতে শিখে নিতে পারেন।
৪.আপনি শহরে একা একা সময় পার করছেন আর অন্যরা পরিবারের সঙ্গে আনন্দ করছেন, এমনটা ভেবে মন খারাপ করবেন না। প্রয়োজনে ফেসবুকে সেসব ছবি দেখা বন্ধ করুন। নিজের মতো করে সময় কাটান। ইউটিউব দেখে দেখে নতুন কিছু বানানোর চেষ্টা করুন।
৫.পরিবার, আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখুন। প্রতিদিন একটা সময় ঠিক করে সকলের সঙ্গে কথা বলুন।
নিজস্ব সংবাদদাতা 







































