শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ-সুনীতার ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবন

বিনোদন ডেস্ক।। বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। সুনীতার সঙ্গে ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবন পার করছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় তাদের দুই সন্তান মেয়ে টিনা ও ছেলে যশবর্ধন। সুনীতা মনে করেন, ব্যক্তিগত জীবনে গোবিন্দ একজন সেরা বাবা, স্বামী ও সন্তান।

তার ইচ্ছে গোবিন্দের মতোই এক সন্তান লাভের, যে মা-বাবার প্রতি দায়িত্বশীল হবে। গোবিন্দকে নিয়ে তার এই ইচ্ছে এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। সম্প্রতি একটি রিয়েলিটি শোয়ে হাজির হয়েছিলেন সুনীতা। পাশাপাশি গোবিন্দ ও তাদের মেয়ে টিনাও ছিলেন। সুনীতা বলেন, ‘বিয়ের ৩৬ বছরে আমি তার মধ্যে দেখেছি সেরা ভাই, ছেলে এবং সেরা স্বামী। কিন্তু একটাই ইচ্ছে বাকি থেকে গেলো। তার মতো এক ছেলের দরকার ছিল। যেভাবে সে তার মা-বাবার দেখাশোনা করে সেটি দেখার পরেই আমার এই ইচ্ছে হয়েছে।’

এই সময় পাশে থাকা গোবিন্দ বলেন, ‘অনেক কম সন্তান তাদের মা-বাবার সেবা করার সুযোগ পায়। আমি ভাগ্যবান যে এই সুযোগ আমি পেয়েছি। আমার এখনো মনে পড়েÑ মা আমাদের জন্য কী সুন্দর গান গাইত। মায়ের গানে আমাদের সকাল শুরু হতো। আমি কখনো ভাবিনি ওই ছোট বাড়ি থেকে বেরিয়ে কিছু করতে পারব, আমার মা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন।’

জনপ্রিয়

বেনাপোলে বিএনপির নেতার ভাইয়ের মৃত্যু,জানাজায় ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ-সুনীতার ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবন

প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

বিনোদন ডেস্ক।। বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। সুনীতার সঙ্গে ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবন পার করছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় তাদের দুই সন্তান মেয়ে টিনা ও ছেলে যশবর্ধন। সুনীতা মনে করেন, ব্যক্তিগত জীবনে গোবিন্দ একজন সেরা বাবা, স্বামী ও সন্তান।

তার ইচ্ছে গোবিন্দের মতোই এক সন্তান লাভের, যে মা-বাবার প্রতি দায়িত্বশীল হবে। গোবিন্দকে নিয়ে তার এই ইচ্ছে এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। সম্প্রতি একটি রিয়েলিটি শোয়ে হাজির হয়েছিলেন সুনীতা। পাশাপাশি গোবিন্দ ও তাদের মেয়ে টিনাও ছিলেন। সুনীতা বলেন, ‘বিয়ের ৩৬ বছরে আমি তার মধ্যে দেখেছি সেরা ভাই, ছেলে এবং সেরা স্বামী। কিন্তু একটাই ইচ্ছে বাকি থেকে গেলো। তার মতো এক ছেলের দরকার ছিল। যেভাবে সে তার মা-বাবার দেখাশোনা করে সেটি দেখার পরেই আমার এই ইচ্ছে হয়েছে।’

এই সময় পাশে থাকা গোবিন্দ বলেন, ‘অনেক কম সন্তান তাদের মা-বাবার সেবা করার সুযোগ পায়। আমি ভাগ্যবান যে এই সুযোগ আমি পেয়েছি। আমার এখনো মনে পড়েÑ মা আমাদের জন্য কী সুন্দর গান গাইত। মায়ের গানে আমাদের সকাল শুরু হতো। আমি কখনো ভাবিনি ওই ছোট বাড়ি থেকে বেরিয়ে কিছু করতে পারব, আমার মা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন।’