শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনার আগে, পরে কি খাবেন

বার্তাকন্ঠ ডেস্ক ।। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত হয়েছে গোটা বিশ্ব। করোনার সংক্রমণ কীভাবে হ্রাস করা যায় তা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা্। তবে করোনা টিকা দেওয়ার আগে ও পরে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। সেই সাথে পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম করা জরুরি।

শাকসবজি: আপনার খাবারে সবুজ শাকসবজির পরিমাণ বাড়ান, কারণ এগুলি পুষ্টি, খনিজ এবং ফেনলিক যৌগগুলি দ্বারা পূর্ণ। সবুজ শাকসবজি রান্না করে খেতে পারে আবার সালাদ বানিয়েও খেতে পারেন।

হলুদ: স্বাস্থ্যের জন্য কার্কুমিনের উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। হলুদ কেবল আপনার অনাক্রম্যতা বাড়িয়ে তোলে না, সেই সঙ্গে এটি দুঃশ্চিন্তা কমায়। হলুদ তরকারিতে দেওয়া যেতে পারে আবার দুধের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে।

আদা: এটি আপনার দেহের উচ্চ রক্তচাপ, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং করোনার মতো ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও আদা স্ট্রেস কমাতেও সহায়তা করে, তাই টিকাদানের স্ট্রেস দূর করার জন্য অবশ্যই এটি গ্রহণ করা উচিত। আদা কেবল তরকারিতে নয়, চা, আচারেও দেওয়া যায়। এছাড়া এমনিতেও আদা খাওয়া যায়।

ফল: ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, তাই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খাদ্য তালিকায় এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়। আনারস, আম, কলা, এবং তরমুজ চলতি মৌসুমে পাওয়া যাবে। তাই এখন এই ফলগুলো আপনি আপনার খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত রাখুন, কারণ এগুলো আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করবে।

রসুন: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, কোলেস্টেরল এবং নাড়ির স্পন্দন হ্রাস করতে এবং ক্যানসার প্রতিরোধের জীবাণুকে ধারণ করার সময় ক্ষেত্রে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে রসুন।

পানি:  টিকাগ্রহণের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ করতে সকলকেই অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ভ্যাকসিন নেওয়ার একদিন আগে এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার কিছুদিন পর স্বাভাবিক তাপামাত্রায় রাখা পানি পান করতে হবে। এছাড়া, ঘরে বানানো স্যুপ, অর্গানিক চা এবং জুস আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের উপর কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞার রয়েছে। এর পরিবর্তে ওট, কর্ন, মিললেট, ব্রাউন রাইস, কুইনো এবং গোটা রুটির খাবারের মতো খাবার তালিকায় রাখুন যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া ডার্ক চকলেট ভ্যাকসিন নেওয়ার পর খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।

চিকেন/ভেজিটেবিল স্যুপ: এটি আপনার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই টিকা গ্রহণের পর চিকেন বা ভেজিটেবিল যে কোন ও একটি স্যুপ আপনি অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

ব্রকোলি: ক্রোকিফেরাস শাকসবজি যেমন ব্রকোলির মতো সবজি গ্রহণ করলে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করা সম্ভব হয়। ব্রকোলি রান্না করে, স্টিম করে এমনকি সেদ্ধ করেও খাওয়া যেতে পারে।

জনপ্রিয়

কলারোয়া ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবে দোয়া ও ইফতার মাহফিল 

করোনার আগে, পরে কি খাবেন

প্রকাশের সময় : ০৭:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১
বার্তাকন্ঠ ডেস্ক ।। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত হয়েছে গোটা বিশ্ব। করোনার সংক্রমণ কীভাবে হ্রাস করা যায় তা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা্। তবে করোনা টিকা দেওয়ার আগে ও পরে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। সেই সাথে পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম করা জরুরি।

শাকসবজি: আপনার খাবারে সবুজ শাকসবজির পরিমাণ বাড়ান, কারণ এগুলি পুষ্টি, খনিজ এবং ফেনলিক যৌগগুলি দ্বারা পূর্ণ। সবুজ শাকসবজি রান্না করে খেতে পারে আবার সালাদ বানিয়েও খেতে পারেন।

হলুদ: স্বাস্থ্যের জন্য কার্কুমিনের উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। হলুদ কেবল আপনার অনাক্রম্যতা বাড়িয়ে তোলে না, সেই সঙ্গে এটি দুঃশ্চিন্তা কমায়। হলুদ তরকারিতে দেওয়া যেতে পারে আবার দুধের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে।

আদা: এটি আপনার দেহের উচ্চ রক্তচাপ, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং করোনার মতো ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও আদা স্ট্রেস কমাতেও সহায়তা করে, তাই টিকাদানের স্ট্রেস দূর করার জন্য অবশ্যই এটি গ্রহণ করা উচিত। আদা কেবল তরকারিতে নয়, চা, আচারেও দেওয়া যায়। এছাড়া এমনিতেও আদা খাওয়া যায়।

ফল: ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, তাই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খাদ্য তালিকায় এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়। আনারস, আম, কলা, এবং তরমুজ চলতি মৌসুমে পাওয়া যাবে। তাই এখন এই ফলগুলো আপনি আপনার খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত রাখুন, কারণ এগুলো আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করবে।

রসুন: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, কোলেস্টেরল এবং নাড়ির স্পন্দন হ্রাস করতে এবং ক্যানসার প্রতিরোধের জীবাণুকে ধারণ করার সময় ক্ষেত্রে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে রসুন।

পানি:  টিকাগ্রহণের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ করতে সকলকেই অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ভ্যাকসিন নেওয়ার একদিন আগে এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার কিছুদিন পর স্বাভাবিক তাপামাত্রায় রাখা পানি পান করতে হবে। এছাড়া, ঘরে বানানো স্যুপ, অর্গানিক চা এবং জুস আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের উপর কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞার রয়েছে। এর পরিবর্তে ওট, কর্ন, মিললেট, ব্রাউন রাইস, কুইনো এবং গোটা রুটির খাবারের মতো খাবার তালিকায় রাখুন যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া ডার্ক চকলেট ভ্যাকসিন নেওয়ার পর খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।

চিকেন/ভেজিটেবিল স্যুপ: এটি আপনার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই টিকা গ্রহণের পর চিকেন বা ভেজিটেবিল যে কোন ও একটি স্যুপ আপনি অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

ব্রকোলি: ক্রোকিফেরাস শাকসবজি যেমন ব্রকোলির মতো সবজি গ্রহণ করলে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করা সম্ভব হয়। ব্রকোলি রান্না করে, স্টিম করে এমনকি সেদ্ধ করেও খাওয়া যেতে পারে।