শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ ফেরিতে

ঢাকা ব্যুরো।।ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন শুক্রবার (৯ জুলাই) থেকে বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানের গাড়ি পারাপার করা হবে। ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন আজকে থেকে বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ ঘনিয়ে আসছে। মানুষের মধ্যে শহর ছাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে মানুষের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তো রয়েছেই। এতদিন কিছু গাড়িকে হয়তো অ্যালাউ করা হতো, মানুষও পার হতো। এটা যাতে না হয় আজকে থেকে তা কঠোরভাবে মানা হবে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধ ছিল ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২১টি শর্ত দেয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী, এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসররকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। জনসমাগম হয় এমন কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না এই সময়ে।

জনপ্রিয়

শেখ হাসিনা-কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ ফেরিতে

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।।ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন শুক্রবার (৯ জুলাই) থেকে বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানের গাড়ি পারাপার করা হবে। ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন আজকে থেকে বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ ঘনিয়ে আসছে। মানুষের মধ্যে শহর ছাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে মানুষের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তো রয়েছেই। এতদিন কিছু গাড়িকে হয়তো অ্যালাউ করা হতো, মানুষও পার হতো। এটা যাতে না হয় আজকে থেকে তা কঠোরভাবে মানা হবে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধ ছিল ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২১টি শর্ত দেয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী, এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসররকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। জনসমাগম হয় এমন কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না এই সময়ে।