শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে গরু উপহার দিতে চান যশোরের এক যুবক

যশোর ব্যুরো ।। 
কোটি মানুষের স্বপ্নের মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়নের জন্য নিজ খামারের ১৫ মন ওজনের একটি ষাঁড় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বোধখানা গ্রামের সাইফুর রহমান সাইফ।
মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলামের সন্তান সাইফের আশা, আসন্ন কোরবানির ঈদে প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে এই ষাঁড়টি কোরবানি দিবেন। এজন্য ইতোমধ্যেই তিনি ষাঁড়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল হকের কাছে আবেদনও করেছেন।
সাইফ বলেন, কয়েক বছর আগে ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে তিনি যশোর ফিরছিলেন।মাওয়া ঘাটে স্পিডবোটের টিকিট কাটতে গিয়ে দেখেন জনপ্রতি ১০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলে বোটের লোকজন তাকে বোট থেকে নামিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
সাইফ আরও বলেন, ‘আমি ওদের বলেছিলাম, পদ্মা সেতু হয়ে গেলে তোমাদের এই বাহাদুরি কোথায় যায় দেখবো। মানুষের কাছ থেকে এভাবে ডাকাতি আর করতে পারবা না।’ তাচ্ছিল্য করে ওরা বলেছিল, ‘যে হারে এখানে সব টাকা মেরে খায়, পদ্মা সেতু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই’। বোটে থাকা এক যাত্রী তখন উত্তর দিয়েছিলেন, ‘তোমরা শেখের বেটিরে চেনো না, ঠিকই পদ্মা সেতু করেই ছাড়বে’।
সাইফ বলেন, ‘সে সময়ই আমি নিয়ত করেছিলাম, পদ্মা সেতু হয়ে গেলে নেত্রীকে একটা উপহার দিব। বাড়িতে আমি সাতটা ষাঁড় লালন পালন করে বড় করেছি। তারই একটা তাকে উপহার হিসেবে দিতে চাই কোরবানি দেওয়ার জন্য’।
সাইফুর রহমান সাইফের পিতা মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মারা গেছেন ২০১৩ সালে। সাইফরা ৭ ভাই-বোন। তিনি এক সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্যাকেজিং ব্যবসা করতেন। করোনার কারণে গত বছর বাড়ি এসে গরুর খামার করেন।
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীকে গরু উপহার দিতে চান যশোরের এক যুবক

প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১
যশোর ব্যুরো ।। 
কোটি মানুষের স্বপ্নের মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়নের জন্য নিজ খামারের ১৫ মন ওজনের একটি ষাঁড় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বোধখানা গ্রামের সাইফুর রহমান সাইফ।
মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলামের সন্তান সাইফের আশা, আসন্ন কোরবানির ঈদে প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে এই ষাঁড়টি কোরবানি দিবেন। এজন্য ইতোমধ্যেই তিনি ষাঁড়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল হকের কাছে আবেদনও করেছেন।
সাইফ বলেন, কয়েক বছর আগে ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে তিনি যশোর ফিরছিলেন।মাওয়া ঘাটে স্পিডবোটের টিকিট কাটতে গিয়ে দেখেন জনপ্রতি ১০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলে বোটের লোকজন তাকে বোট থেকে নামিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
সাইফ আরও বলেন, ‘আমি ওদের বলেছিলাম, পদ্মা সেতু হয়ে গেলে তোমাদের এই বাহাদুরি কোথায় যায় দেখবো। মানুষের কাছ থেকে এভাবে ডাকাতি আর করতে পারবা না।’ তাচ্ছিল্য করে ওরা বলেছিল, ‘যে হারে এখানে সব টাকা মেরে খায়, পদ্মা সেতু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই’। বোটে থাকা এক যাত্রী তখন উত্তর দিয়েছিলেন, ‘তোমরা শেখের বেটিরে চেনো না, ঠিকই পদ্মা সেতু করেই ছাড়বে’।
সাইফ বলেন, ‘সে সময়ই আমি নিয়ত করেছিলাম, পদ্মা সেতু হয়ে গেলে নেত্রীকে একটা উপহার দিব। বাড়িতে আমি সাতটা ষাঁড় লালন পালন করে বড় করেছি। তারই একটা তাকে উপহার হিসেবে দিতে চাই কোরবানি দেওয়ার জন্য’।
সাইফুর রহমান সাইফের পিতা মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মারা গেছেন ২০১৩ সালে। সাইফরা ৭ ভাই-বোন। তিনি এক সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্যাকেজিং ব্যবসা করতেন। করোনার কারণে গত বছর বাড়ি এসে গরুর খামার করেন।