শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক মিজানুর রহমান তোতা  আর নেই

যশোর ব্যুরো  ।। দৈনিক ইনকিলাবের যশোর ব্যুরো প্রধান ও যশোর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তোতা (৬৫) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন  মারা যান। যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ৩ জুলাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

জানা যায়, মিজানুর রহমান তোতা ৪৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন। এর মধ্যে একটানা ৩৫ বছরই তিনি কাজ করেছেন দৈনিক ইনকিলাবে। যশোর সংবাদপত্র জগতে বিচরণ করে অবিভক্ত যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, একবার প্রেসক্লাব যশোরের সেক্রেটারি ও তিনবার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

১৯৭৭ সাল থেকেই ছড়া, কবিতা, সংবাদ লেখালেখিতে প্রবেশ। ১৯৭৮ সালে দৈনিক গণকন্ঠের রিপোর্টার, সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার, ১৯৭৯ সালে দৈনিক স্ফুলিঙ্গের স্টাফ রিপোর্টার, ১৯৮০ সালে পিআইবির লং কোর্সের প্রশিক্ষণ, পরবর্তীতে দৈনিক স্ফুলিঙ্গের নিউজ এডিটর, দৈনিক ঠিকানায় এক্সিকিউটিভ এডিটর, দৈনিক আজাদের স্টাফ রিপোর্টার ও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তারপর থেকেই দৈনিক ইনকিলাবে একটানা ৩৫ বছরই তিনি কাজ করছেন।

সাংবাদিকতার ওপর তার ‘মাঠ সাংবাদিকতা’ এবং আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘ক্ষতবিক্ষত বিবেক’ নামের গ্রন্থ দুটি ইতোপূর্বে খুবই সমাদৃত হয়েছে। প্রথিতযশা এই সাংবাদিক সাহিত্যচর্চা করেন বহুদিন। তার অসংখ্য কবিতা দেশে-বিদেশের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তার নির্বাচিত ৮০টি কবিতা নিয়ে ‘দিবানিশি স্বপ্নের খেলা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ হয়েছে।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক মিজানুর রহমান তোতা  আর নেই

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুলাই ২০২১

যশোর ব্যুরো  ।। দৈনিক ইনকিলাবের যশোর ব্যুরো প্রধান ও যশোর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তোতা (৬৫) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন  মারা যান। যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ৩ জুলাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

জানা যায়, মিজানুর রহমান তোতা ৪৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন। এর মধ্যে একটানা ৩৫ বছরই তিনি কাজ করেছেন দৈনিক ইনকিলাবে। যশোর সংবাদপত্র জগতে বিচরণ করে অবিভক্ত যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি, একবার প্রেসক্লাব যশোরের সেক্রেটারি ও তিনবার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

১৯৭৭ সাল থেকেই ছড়া, কবিতা, সংবাদ লেখালেখিতে প্রবেশ। ১৯৭৮ সালে দৈনিক গণকন্ঠের রিপোর্টার, সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার, ১৯৭৯ সালে দৈনিক স্ফুলিঙ্গের স্টাফ রিপোর্টার, ১৯৮০ সালে পিআইবির লং কোর্সের প্রশিক্ষণ, পরবর্তীতে দৈনিক স্ফুলিঙ্গের নিউজ এডিটর, দৈনিক ঠিকানায় এক্সিকিউটিভ এডিটর, দৈনিক আজাদের স্টাফ রিপোর্টার ও বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তারপর থেকেই দৈনিক ইনকিলাবে একটানা ৩৫ বছরই তিনি কাজ করছেন।

সাংবাদিকতার ওপর তার ‘মাঠ সাংবাদিকতা’ এবং আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘ক্ষতবিক্ষত বিবেক’ নামের গ্রন্থ দুটি ইতোপূর্বে খুবই সমাদৃত হয়েছে। প্রথিতযশা এই সাংবাদিক সাহিত্যচর্চা করেন বহুদিন। তার অসংখ্য কবিতা দেশে-বিদেশের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তার নির্বাচিত ৮০টি কবিতা নিয়ে ‘দিবানিশি স্বপ্নের খেলা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ হয়েছে।