
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৩ জন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দেশটির সেগু অঞ্চলের মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে চলা একটি যাত্রীবাহী বাসের টায়ার পাঙচার হলে, এর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় বিপরীত দিক দিয়ে আসা পণ্য বোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই হতাহত হন বহু মানুষ।
দুর্ঘটনার পর বাসটি উল্টে গিয়ে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। এদিকে, দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছান উদ্ধারকারীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এর একদিন আগে (২ আগস্ট) আফ্রিকার দেশ কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জ্বালানিবাহী ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি বাসের সংঘর্ষে ৩৩ জন নিহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে জানানো হয়েছে, জ্বালানিবাহী ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষের সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর বাসটিতে আগুন লেগে যায়। দেশটির সড়কগুলোতে বিপুলসংখ্যক ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল করায় প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
স্থানীয় পুলিশের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, অনেকেরই দেহ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। তাদের কোনো চিহ্নই পাওয়া যায়নি। কিছু দেহাবশেষ পাওয়া গেছে, সেগুলো উদ্ধার করে শেষকৃত্য সোমবার (২ আগস্ট) সম্পন্ন করা হয়েছে।
কঙ্গোতে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে কিনশাসার প্রধান সড়কে তেলের ট্যাংকার বিস্ফোরণে ৫৩ জন নিহত হন। ২০১০ সালে তেলের ট্যাংকার উল্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২৩০ জনের প্রাণহানি ঘটে। দেশটির সড়কগুলোতে বিপুলসংখ্যক পুরোনো যানবাহন চলে। প্রায়ই এসব যানবাহনের ফিটনেস থাকে না। কোনো কোনো এলাকায় সড়কের অবস্থাও বেহাল। সূত্র: সময় নিউজ
নিজস্ব সংবাদদাতা 





























