শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪ শিশুর জন্ম স্বাভাবিক ডেলিভারিতে

কুমিল্লা প্রতিনিধি।। স্বাভাবিক ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম দিয়েছেন সাদিয়া আক্তার নামে এক নারী। কুমিল্লা নগরীর গোমতী হাসপাতালের গাইনি ডাক্তার শাহিদা আক্তার রাখির তত্ত্বাবধানে এই চার শিশুর জন্ম হয়।
জন্ম নেওয়া চার নবজাতকের দুজন ছেলে ও দুজন মেয়ে। তবে তারা এখনও বিপদমুক্ত নয়। তারা বর্তমানে কুমিল্লা মডার্ন হসপিটালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (এনআইসিইউ) আছে।
প্রসূতি সাদিয়া আক্তারের স্বামী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা রোগীকে নিয়ে গেলেই সিজার করা হয়। তবে ডা. শাহিদা আক্তার রাখি আমার স্ত্রীকে চেকআপ করে বলেছেন, বাচ্চাগুলোর পজিশন ঠিক আছে। তিনি নরমাল ডেলিভারি করার জন্য বলেন। আমরাও রাজি হয়ে যাই। আল্লাহর রহমতে কোনও সমস্যা ছাড়াই চার সন্তানের বাবা হলাম। শিশুরা এনআইসিইউ’তে আছে। আমি সবার দোয়া কামনা করছি।’
ডা. শাহিদা আক্তার রাখি বলেন, ‘স্বাভাবিক ডেলিভারিতে চার শিশুর জন্ম হওয়ায় আমি খুবই খুশি। প্রসূতি সাদিয়া আক্তারও সুস্থ আছেন। কোনও রকম সিজার ছাড়াই চার শিশুর জন্মের ঘটনা কুমিল্লায় এর আগে ঘটেছে কিনা শুনিনি। তার আগে আমি একসঙ্গে তিন শিশুর নরমাল ডেলিভারি করেছি। আমি নিয়মিত তাদের খোঁজ খবর রাখছি। চার শিশুর মধ্যে প্রথম জনের ওজন প্রায় ১১০০ গ্রাম, দ্বিতীয় জনের ১০০০ গ্রাম, তৃতীয় জনের ৯০০ গ্রাম এবং চতুর্থ জনের ৮০০ গ্রাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে গেলে সিজার করানো হয়। সেই ধারণাটা ভুল। আমরা চেকআপ করে বাচ্চার অবস্থা ভালো থাকলে প্রসূতিকে রিস্ক বেনিফিট কাউন্সেলিং করি। তখন প্রসূতি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে নরমাল ডেলিভারিই করা হয়। নরমাল ডেলিভারিতে অনেক সময় ঝুঁকি থাকে। তবুও সবকিছু ঠিক থাকলে নরমাল ডেলিভারি করার চেষ্টা করি।’
জনপ্রিয়

শেখ হাসিনা-কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

৪ শিশুর জন্ম স্বাভাবিক ডেলিভারিতে

প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১
কুমিল্লা প্রতিনিধি।। স্বাভাবিক ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে চার শিশুর জন্ম দিয়েছেন সাদিয়া আক্তার নামে এক নারী। কুমিল্লা নগরীর গোমতী হাসপাতালের গাইনি ডাক্তার শাহিদা আক্তার রাখির তত্ত্বাবধানে এই চার শিশুর জন্ম হয়।
জন্ম নেওয়া চার নবজাতকের দুজন ছেলে ও দুজন মেয়ে। তবে তারা এখনও বিপদমুক্ত নয়। তারা বর্তমানে কুমিল্লা মডার্ন হসপিটালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (এনআইসিইউ) আছে।
প্রসূতি সাদিয়া আক্তারের স্বামী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা রোগীকে নিয়ে গেলেই সিজার করা হয়। তবে ডা. শাহিদা আক্তার রাখি আমার স্ত্রীকে চেকআপ করে বলেছেন, বাচ্চাগুলোর পজিশন ঠিক আছে। তিনি নরমাল ডেলিভারি করার জন্য বলেন। আমরাও রাজি হয়ে যাই। আল্লাহর রহমতে কোনও সমস্যা ছাড়াই চার সন্তানের বাবা হলাম। শিশুরা এনআইসিইউ’তে আছে। আমি সবার দোয়া কামনা করছি।’
ডা. শাহিদা আক্তার রাখি বলেন, ‘স্বাভাবিক ডেলিভারিতে চার শিশুর জন্ম হওয়ায় আমি খুবই খুশি। প্রসূতি সাদিয়া আক্তারও সুস্থ আছেন। কোনও রকম সিজার ছাড়াই চার শিশুর জন্মের ঘটনা কুমিল্লায় এর আগে ঘটেছে কিনা শুনিনি। তার আগে আমি একসঙ্গে তিন শিশুর নরমাল ডেলিভারি করেছি। আমি নিয়মিত তাদের খোঁজ খবর রাখছি। চার শিশুর মধ্যে প্রথম জনের ওজন প্রায় ১১০০ গ্রাম, দ্বিতীয় জনের ১০০০ গ্রাম, তৃতীয় জনের ৯০০ গ্রাম এবং চতুর্থ জনের ৮০০ গ্রাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে গেলে সিজার করানো হয়। সেই ধারণাটা ভুল। আমরা চেকআপ করে বাচ্চার অবস্থা ভালো থাকলে প্রসূতিকে রিস্ক বেনিফিট কাউন্সেলিং করি। তখন প্রসূতি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে নরমাল ডেলিভারিই করা হয়। নরমাল ডেলিভারিতে অনেক সময় ঝুঁকি থাকে। তবুও সবকিছু ঠিক থাকলে নরমাল ডেলিভারি করার চেষ্টা করি।’