শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কালিয়ায় আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য আটক, চোরাইমাল উদ্ধার

নড়াইল প্রতিনিধি।।নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাগুডাঙ্গা গ্রামবাসিরা আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য মো. মুছা কাজি (৩০) নামে একজনকে আটক করার পর গণধোলাইয়ের দিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলার নড়াগাতি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। মুছা উপজেলার বাগুডাঙ্গা গ্রামের ইমরুল কাজির ছেলে। পুলিশ তার বাড়ি থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকার চোরাই মাল উদ্ধার করেছে। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মুছা ও তার ভাই শাহা আলম কাজি আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য ও পেশাদার চোর। বুধবার রাতে উপজেলার বল্লাহাটী গ্রাম থেকে চুরি করে বৃহস্পতিবার সকালে চোরাই মাল নিয়ে পাশ্ববর্তী গোপালগঞ্জ শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই গ্রামের লোকজন মুছাকে আটক করে।

পরে তাকে গণধোলাই দেয়ার পর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কালিয়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি করা বিদ্যুতের তার, গ্যাসের চুলা, ঢেউটিন, ফ্যান ও হাড়ি-পাতিলসহ বিভিন্ন রকমের প্রায় ২০ হাজার টাকার চোরাই মাল উদ্ধার করে।
ওই ঘটনায় উদ্ধারকৃত চোরাই মালের একজন মালিক নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে ওই দু’জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা ৫-৬ জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেন।
নড়াগিতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, আটককৃত চোরকে মামলায় গ্রেফতার করে শুক্রবার নড়াইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক চোরদের গ্রেফতারের পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। #

 

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

কালিয়ায় আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য আটক, চোরাইমাল উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

নড়াইল প্রতিনিধি।।নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাগুডাঙ্গা গ্রামবাসিরা আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য মো. মুছা কাজি (৩০) নামে একজনকে আটক করার পর গণধোলাইয়ের দিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলার নড়াগাতি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। মুছা উপজেলার বাগুডাঙ্গা গ্রামের ইমরুল কাজির ছেলে। পুলিশ তার বাড়ি থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকার চোরাই মাল উদ্ধার করেছে। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মুছা ও তার ভাই শাহা আলম কাজি আন্তজেলা চোর চক্রের সদস্য ও পেশাদার চোর। বুধবার রাতে উপজেলার বল্লাহাটী গ্রাম থেকে চুরি করে বৃহস্পতিবার সকালে চোরাই মাল নিয়ে পাশ্ববর্তী গোপালগঞ্জ শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই গ্রামের লোকজন মুছাকে আটক করে।

পরে তাকে গণধোলাই দেয়ার পর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কালিয়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি করা বিদ্যুতের তার, গ্যাসের চুলা, ঢেউটিন, ফ্যান ও হাড়ি-পাতিলসহ বিভিন্ন রকমের প্রায় ২০ হাজার টাকার চোরাই মাল উদ্ধার করে।
ওই ঘটনায় উদ্ধারকৃত চোরাই মালের একজন মালিক নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে ওই দু’জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা ৫-৬ জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেন।
নড়াগিতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, আটককৃত চোরকে মামলায় গ্রেফতার করে শুক্রবার নড়াইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক চোরদের গ্রেফতারের পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। #