বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হুমায়ুন আজাদের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ

বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক ।।

পৃথিবীতে যতোদিন অন্তত একজনও প্রথাবিরোধী মানুষ থাকবে, ততোদিন পৃথিবী মানুষের।’ বলেছিলেন অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ, আর পৃথিবীকে মানুষের বাসযোগ্য করে রাখতে হয়ে উঠেছিলেন প্রথাবিরোধী। আজ বৃহস্পতিবার এই বহুমাত্রিক লেখক, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানীর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৪ সালের এই দিনে জার্মানির মিউনিখ শহরে তিনি মারা যান।

এর আগে একই বছর বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলায় ২৭ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুন আজাদ জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন।

হুমায়ুন আজাদ ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে জন্ম নেন। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। মূলত কবি, গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও নব্বইয়ের দশকে তিনি একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত প্রবন্ধের বই ‘নারী’, ২০০১ সালে সিমোন দ্য বোভোয়ারের গ্রন্থের অনুবাদ ‘দ্বিতীয় লিঙ্গ’ এবং ২০০৪ সালে ‘পাক সার জমিন সার বাদ’ উপন্যাসের জন্য মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েন তিনি।

সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য হুমায়ুন আজাদ ১৯৮৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১২ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর)সহ বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

হুমায়ুন আজাদের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক ।।

পৃথিবীতে যতোদিন অন্তত একজনও প্রথাবিরোধী মানুষ থাকবে, ততোদিন পৃথিবী মানুষের।’ বলেছিলেন অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ, আর পৃথিবীকে মানুষের বাসযোগ্য করে রাখতে হয়ে উঠেছিলেন প্রথাবিরোধী। আজ বৃহস্পতিবার এই বহুমাত্রিক লেখক, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানীর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৪ সালের এই দিনে জার্মানির মিউনিখ শহরে তিনি মারা যান।

এর আগে একই বছর বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলায় ২৭ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুন আজাদ জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন।

হুমায়ুন আজাদ ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে জন্ম নেন। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। মূলত কবি, গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও নব্বইয়ের দশকে তিনি একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত প্রবন্ধের বই ‘নারী’, ২০০১ সালে সিমোন দ্য বোভোয়ারের গ্রন্থের অনুবাদ ‘দ্বিতীয় লিঙ্গ’ এবং ২০০৪ সালে ‘পাক সার জমিন সার বাদ’ উপন্যাসের জন্য মৌলবাদীদের রোষানলে পড়েন তিনি।

সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য হুমায়ুন আজাদ ১৯৮৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১২ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর)সহ বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।