মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলারোয়ায় বাল্য বিবাহ বন্ধ করলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন

আতাউর রহমান ,সাতক্ষীরা ব্যুরোঃ।।
কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের কাদপুর গ্রামে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ করলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন। শুক্রবার  বাল্য বিবাহ হচ্ছে, গোপনে এমন সংবাদ পেয়ে  উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে কাদপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার এর ১৪ বছর বয়সী কন্যার বাল্যবিবাহ হচ্ছে সেখানে গিয়ে হাজির হয়ে কাগজপত্র ও লোকজনের সাথে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক বিয়ে বন্ধ করে দেন ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন উভয়ের। এছাড়া ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ না হওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  সার্বক্ষনিক খোজ রাখার জন্য বলেন।
পরে কন্যার পিতা-মাতা ও বরের পিতা- মাতা তাদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছেন এবং উভয়ের  বয়স পূর্ণ  না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।এসময় চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, মহিলা অধিদপ্তের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ, সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।এ ব্যাপারে  উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন  বলেন, বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। আসুন আমরা সকলে মিলে বাল্য বিবাহকে না বলি, জনসচেতনতা গড়ে তুলি।
জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

কলারোয়ায় বাল্য বিবাহ বন্ধ করলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১
আতাউর রহমান ,সাতক্ষীরা ব্যুরোঃ।।
কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের কাদপুর গ্রামে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ করলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন। শুক্রবার  বাল্য বিবাহ হচ্ছে, গোপনে এমন সংবাদ পেয়ে  উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আল আমিন উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে কাদপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার এর ১৪ বছর বয়সী কন্যার বাল্যবিবাহ হচ্ছে সেখানে গিয়ে হাজির হয়ে কাগজপত্র ও লোকজনের সাথে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক বিয়ে বন্ধ করে দেন ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন উভয়ের। এছাড়া ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ না হওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  সার্বক্ষনিক খোজ রাখার জন্য বলেন।
পরে কন্যার পিতা-মাতা ও বরের পিতা- মাতা তাদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছেন এবং উভয়ের  বয়স পূর্ণ  না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।এসময় চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, মহিলা অধিদপ্তের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ, সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।এ ব্যাপারে  উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন  বলেন, বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। আসুন আমরা সকলে মিলে বাল্য বিবাহকে না বলি, জনসচেতনতা গড়ে তুলি।