মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরে মিলছে না ইলিশ , হতাশ জেলেরা

নাজমুল ইসলাম, শরণখোলা প্রতিনিধি।। ইলিশের দেখা মিলছে না সাগরে। এক প্রকার খালি ট্রলার নিয়ে ফিরছে বাগেরহাটের শরণখোলার জেলেরা। মৌসুমের পাঁচ মাস পার হলেও এ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেনি কোনো মহাজন। চলতি সপ্তাহে সাগর থেকে উঠে আসা একেকটি ফিশিং ট্রলারে মাছ বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। এতে তেল খরচও ওঠেনি মহাজনদের। লাখ লাখ টাকা লোকসানে রয়েছেন জেলের-মহাজনরা। সবার চোখে-মুখে হতাশার ছাপ। মৎস্য পল্লীতেও নেই তেমন কর্মচঞ্চলতা।
মাঝি ও জেলেরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন,আমরা গহীন সমুদ্রে মাছ ধরি। গত মঙ্গলবার সাগর থেকে আসছি। অথচ কোনো মাছ পাইনি । যা খরচ করে গেছি তার থেকে অনেক টাকা দেনা আছি । এখন আমরা কিভাবে চলবো। এভাবে মাছ না হলে জেলে মহাজনরা লাখ লাখ টাকা দেনা হয়ে যাবে । জেলেরা বলছে ৭দিন সাগরে জাল ফেলেছি অথচ কোনো মাছ পাইনি ।
ট্রলার মালিকরা বলছে, ইলিশের ভরা মৌসের সময় ৬৫ দিনের অবরোধ থাকায় ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে অবাধে মাছ ধরে নিয়ে গেছে। ভারতীয় জেলোরা সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে মাত্র ২০-২৫ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে এসে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অবরোধের সময় মাছ না ধরলে সেই মাছটা এখন জেলেদের জালে ধরা পড়ত। যার ফলে, দেশীয় জেলেরা এখন লোকসান গুনছে।
বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, বাগেরহাট জেলায় ছোটবড় মিলিয়ে সহস্রাধিক ফিশিং ট্রলার রয়েছে। এর মধ্যে শরণখোলায়তেই রয়েছে তিন শতাধিক ফিশিং ট্রলার। এবার কোনো ট্রলারেই ভালো ট্রিপ হয়নি। তেল খরচও উঠছে না অনেকের।
শরণখোলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এস পারভেজ বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনের কারনে হয়তো সাগরের কোনো কোনো এলাকায় মাছ হচ্ছেনা,তবে এমন অবস্থা থাকবেনা
জনপ্রিয়

জনগণ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছে- বাবার স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন সাঈদ আল নোমান

সাগরে মিলছে না ইলিশ , হতাশ জেলেরা

প্রকাশের সময় : ০৫:২৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অগাস্ট ২০২১
নাজমুল ইসলাম, শরণখোলা প্রতিনিধি।। ইলিশের দেখা মিলছে না সাগরে। এক প্রকার খালি ট্রলার নিয়ে ফিরছে বাগেরহাটের শরণখোলার জেলেরা। মৌসুমের পাঁচ মাস পার হলেও এ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেনি কোনো মহাজন। চলতি সপ্তাহে সাগর থেকে উঠে আসা একেকটি ফিশিং ট্রলারে মাছ বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। এতে তেল খরচও ওঠেনি মহাজনদের। লাখ লাখ টাকা লোকসানে রয়েছেন জেলের-মহাজনরা। সবার চোখে-মুখে হতাশার ছাপ। মৎস্য পল্লীতেও নেই তেমন কর্মচঞ্চলতা।
মাঝি ও জেলেরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন,আমরা গহীন সমুদ্রে মাছ ধরি। গত মঙ্গলবার সাগর থেকে আসছি। অথচ কোনো মাছ পাইনি । যা খরচ করে গেছি তার থেকে অনেক টাকা দেনা আছি । এখন আমরা কিভাবে চলবো। এভাবে মাছ না হলে জেলে মহাজনরা লাখ লাখ টাকা দেনা হয়ে যাবে । জেলেরা বলছে ৭দিন সাগরে জাল ফেলেছি অথচ কোনো মাছ পাইনি ।
ট্রলার মালিকরা বলছে, ইলিশের ভরা মৌসের সময় ৬৫ দিনের অবরোধ থাকায় ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে অবাধে মাছ ধরে নিয়ে গেছে। ভারতীয় জেলোরা সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে মাত্র ২০-২৫ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে এসে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অবরোধের সময় মাছ না ধরলে সেই মাছটা এখন জেলেদের জালে ধরা পড়ত। যার ফলে, দেশীয় জেলেরা এখন লোকসান গুনছে।
বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, বাগেরহাট জেলায় ছোটবড় মিলিয়ে সহস্রাধিক ফিশিং ট্রলার রয়েছে। এর মধ্যে শরণখোলায়তেই রয়েছে তিন শতাধিক ফিশিং ট্রলার। এবার কোনো ট্রলারেই ভালো ট্রিপ হয়নি। তেল খরচও উঠছে না অনেকের।
শরণখোলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এস পারভেজ বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনের কারনে হয়তো সাগরের কোনো কোনো এলাকায় মাছ হচ্ছেনা,তবে এমন অবস্থা থাকবেনা