মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার ঘাটতি পূরণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা ব্যুরো।।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার ঘাটতি পূরণে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

আজ শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. দীপু মনি বলেন, আপনারা জানেন শিক্ষার্থীদের পাঠদান কিন্তু বন্ধ ছিলো না, আমরা তাদের জন্য অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করেছিলাম। তার মধ্যেও আমরা যখন দেখি নিজে কিছু কিছু শিক্ষার্থী টেলিভিশন দেখার সুযোগ ছিল না বা অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল না। তখনই আমরা কাজের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করেছি এবং অ্যাসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে সর্বোচ্চসংখ্যক শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি পর্যন্ত আমরা পৌঁছতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ক্লাসে মত ষোলআনা শিক্ষার কোন বিকল্প তো আর কিছু নেই কোথাও না কোথাও তো ঘাটতি রয়েই গেছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সেই ঘাটতি পূরণে রেমেডিয়ালক্লাস সহ আমাদের একেবারে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ও অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, সিভিল সার্জন ডাক্তার সাখাওয়াত উল্লাহ, নৌ পুলিশের এসপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মোহাম্মদ নাসিম আক্তার নাসিম আক্তার এনএসআই ডিডি আরমান আহমেদসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ।

জনপ্রিয়

গর্ভাবস্থায় যে ৫ ভুল করা যাবে না

ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার ঘাটতি পূরণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

ঢাকা ব্যুরো।।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার ঘাটতি পূরণে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

আজ শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. দীপু মনি বলেন, আপনারা জানেন শিক্ষার্থীদের পাঠদান কিন্তু বন্ধ ছিলো না, আমরা তাদের জন্য অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করেছিলাম। তার মধ্যেও আমরা যখন দেখি নিজে কিছু কিছু শিক্ষার্থী টেলিভিশন দেখার সুযোগ ছিল না বা অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল না। তখনই আমরা কাজের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করেছি এবং অ্যাসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে সর্বোচ্চসংখ্যক শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি পর্যন্ত আমরা পৌঁছতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ক্লাসে মত ষোলআনা শিক্ষার কোন বিকল্প তো আর কিছু নেই কোথাও না কোথাও তো ঘাটতি রয়েই গেছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সেই ঘাটতি পূরণে রেমেডিয়ালক্লাস সহ আমাদের একেবারে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ও অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, সিভিল সার্জন ডাক্তার সাখাওয়াত উল্লাহ, নৌ পুলিশের এসপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মোহাম্মদ নাসিম আক্তার নাসিম আক্তার এনএসআই ডিডি আরমান আহমেদসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ।