শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে করোনা টিকার নিবন্ধন করতে এসে জানতে পারলেন তিনি মৃত!

মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
মায়ের চেয়ে ছেলে ২৫ বছরের বড়, বাবার চেয়ে ছেলে ৪ বছরেরর ছোট এ বিষয়টির সুরহা না হওয়ার আগেই রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে কম্পিউটার দোকান থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সুরক্ষা অ্যাপে করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি মৃত। বিষয়টি জানতে পেরে হতবাক হয়ে যান তিনি।
 কিভাবে মৃতের তালিকায় তার নাম উঠলো সেটি তিনি তাৎক্ষনিক বুঝে উঠতে পারেননি।
জীবিত থেকেও মৃত্যু তালিকায় থাকা ওই ব্যক্তি হলেন বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল মোল্লার পুত্র মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বালিয়াকান্দি  উপজেলার একটি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
বুধবার (০৮ সপ্টম্বর) সকালে এ বিষয়ে আনোয়ার হাসন বলেন, ২০০৮ সাল জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি বিভি্ন্ন অফিসে ব্যবহার করেছি। কিন্তু কখনোই অনলাইনে সার্চ দিয়ে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখিনি। গত কয়েকদিন যাবত টিকার আবেদন করতে গিয়ে আমার তথ্য আসেনা বিধায় বুধবার সকাল নিবার্চন অফিসে খঁাজ নিয়ে জানতে পারি আমি অনক আগেই মারা গেছি (এনআইডি সার্ভারে মৃত দেখাচ্ছে)।
তিনি আরো বলেন, আমার বড় ভাই ২০১২ সালে মারা গেছেন। এখনো জাতীয় পরিচয়পত্রে তার তথ্য রয়েছে। মৃত ভোটারদের বাদ দেয়ার সময় তথ্য সংগ্রহকারী হয়তো ভুলবশত আমার বড় ভাইয়ের পরিবর্তে আমার নামটি লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
এ বিষয় উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা মোঃ নিজামউদ্দিন বলেন, তাঁকে দ্রুত সংশোধনি আবেদন করতে বলেছি। দ্রুত যাতে তার সমস্যাটি সমাধান করা যায় সে বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, বিগত সময় ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার সময় তথ্য সংগ্রহকারী হয়তো ভুল করেছে। এসব ভুল দ্রুত সংশাধনের সুযোগ রয়েছে।
জনপ্রিয়

হাসিনা পালালেও যারা অন্যায় করেনি আমরা তাদের শাস্তি হতে দেব না: ফখরুল

বালিয়াকান্দিতে করোনা টিকার নিবন্ধন করতে এসে জানতে পারলেন তিনি মৃত!

প্রকাশের সময় : ০৫:৪১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
মেহেদী হাসান রাজু, রাজবাড়ী।।
মায়ের চেয়ে ছেলে ২৫ বছরের বড়, বাবার চেয়ে ছেলে ৪ বছরেরর ছোট এ বিষয়টির সুরহা না হওয়ার আগেই রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে কম্পিউটার দোকান থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সুরক্ষা অ্যাপে করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারলেন তিনি মৃত। বিষয়টি জানতে পেরে হতবাক হয়ে যান তিনি।
 কিভাবে মৃতের তালিকায় তার নাম উঠলো সেটি তিনি তাৎক্ষনিক বুঝে উঠতে পারেননি।
জীবিত থেকেও মৃত্যু তালিকায় থাকা ওই ব্যক্তি হলেন বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল মোল্লার পুত্র মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বালিয়াকান্দি  উপজেলার একটি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
বুধবার (০৮ সপ্টম্বর) সকালে এ বিষয়ে আনোয়ার হাসন বলেন, ২০০৮ সাল জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি বিভি্ন্ন অফিসে ব্যবহার করেছি। কিন্তু কখনোই অনলাইনে সার্চ দিয়ে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখিনি। গত কয়েকদিন যাবত টিকার আবেদন করতে গিয়ে আমার তথ্য আসেনা বিধায় বুধবার সকাল নিবার্চন অফিসে খঁাজ নিয়ে জানতে পারি আমি অনক আগেই মারা গেছি (এনআইডি সার্ভারে মৃত দেখাচ্ছে)।
তিনি আরো বলেন, আমার বড় ভাই ২০১২ সালে মারা গেছেন। এখনো জাতীয় পরিচয়পত্রে তার তথ্য রয়েছে। মৃত ভোটারদের বাদ দেয়ার সময় তথ্য সংগ্রহকারী হয়তো ভুলবশত আমার বড় ভাইয়ের পরিবর্তে আমার নামটি লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
এ বিষয় উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা মোঃ নিজামউদ্দিন বলেন, তাঁকে দ্রুত সংশোধনি আবেদন করতে বলেছি। দ্রুত যাতে তার সমস্যাটি সমাধান করা যায় সে বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, বিগত সময় ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার সময় তথ্য সংগ্রহকারী হয়তো ভুল করেছে। এসব ভুল দ্রুত সংশাধনের সুযোগ রয়েছে।