সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামিন পেলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ জন

ফাইল ছবি

ঢাকা ব্যুরো ।।

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজন জামিন পেয়েছেন। শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার ৩ নম্বর শ্রম আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকায় মুচলেকায় ড. ইউনূসসহ চারজনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক এস এম আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে গেলে প্রতিষ্ঠানটির শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন নজরে আসে। এসবের মধ্যে রয়েছে, ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকার পরও তাদের স্থায়ী করা হয়নি, শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি।

ওইসব অভিযোগের ভিত্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর বাদী হয়ে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করে।

জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান সৌদি আরবের

জামিন পেলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ জন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১

ঢাকা ব্যুরো ।।

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজন জামিন পেয়েছেন। শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার ৩ নম্বর শ্রম আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকায় মুচলেকায় ড. ইউনূসসহ চারজনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক এস এম আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে গেলে প্রতিষ্ঠানটির শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন নজরে আসে। এসবের মধ্যে রয়েছে, ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকার পরও তাদের স্থায়ী করা হয়নি, শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি।

ওইসব অভিযোগের ভিত্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর বাদী হয়ে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করে।